আকবপুর ইউনিয়নকে আওয়ামীলীগের ঘাঁটি বানাতে চায় – রজ্জব হোসেন রাজু

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

এন এ মুরাদ ।। মুরাদনগর উপজেলার আকবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন ঠিকাদার রজ্জব হোসেন রাজু । তিনি ওই ইউনিয়নকে আওয়ালীগের ঘাঁটি বানানোর অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছেন।
রজ্জব হোসেন রাজু ঘোড়াশাল গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পীর বাড়ীর মৃত চাঁন মিয়া চিশতীর সুযোগ্য সন্তান । ১৯৯৬ সালে বর্তমান মুরাদনগরের এমপি আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এর হাত ধরে রাজনীতিতে তার পূর্ণপ্রকাশ। শ্রীকাইল ও আকাবপুর দুই ইউনিয়নের মাঝা মাঝি বাড়ি হওয়ায় উভয় দিকেই রয়েছে তার দারুন জনপ্রিয়তা। ভৌগলিক এই সুবিধার কারণে ওই এলাকার রাজনীতিতে একক আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষক হয়েছেন রাজু।
ওই ইউনিয়নে বড় ধরনের কোন সভা- সমাবেশ ও মিছিল মিটিংয়ের ডাক পড়লে সিংহভাগ জনবল থাকে রজ্জব হোসেন রাজুর। তার এই জনপ্রিয়তার কারণে ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনে আকবপুর ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তার স্ত্রী সেফালি আক্তার।
আকবপুর ইউনিয়নে গরীব দুঃখী মানুষের সেবা করে রাজনীতিতে লাইম লাইটে আসেন তিনি । নিজের মেধা, শ্রম আর যোগ্যতার বলেই জয় করেছেন সবার মন।
২০১৬ সালে আকবপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে ঘোড়া প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন । তিনি ছিলেন ২নং আকবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক আহবায়ক , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুরাদনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড ।
সাবেক সভাপতি ঘোড়াশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শ্রীকাইল কে,কে উচ্চ বিদ্যালয় ও মোহাম্মদপুর রাহাত আলী ভূইয়া উচ্চবিদ্যালয়। গেলো ২৫ বছরের রাজনৈতিক মাঠে কাজ করতে গিয়ে ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে রাস্তা -ঘাট, মসজিদ, মন্দির মাদ্রাসার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন তিনি।
বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ঘোড়াশাল ও পরিচালক আলহাজ্ব আলী হোসেন চিশতী (রাঃ) দরবার শরীফ ঘোড়াশাল ।
স্বপ্ন দেখেন বড় দায়িত্ব পেলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত করে জনবান্ধব রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার । এই স্বপ্ন পূরণে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন ।
রজ্জব হোসেন রাজু বলেন- বঙ্গবন্ধু আমার স্বপ্নের মানুষ, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার আইডল। আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি আমার রাজনৈতিক অভিভাবক। তাদের একজন কর্মী হিসাবে যদি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাই তাহলে এই ইউনিয়নকে শক্তিশালী আওয়ামীলীগে পরিণত করব। আর এই আওয়ামীলীগই হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামীলীগ।###