আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে কুবির ৪ শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

কুবি প্রতিনিধি ।। ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির উদ্যােগে ‘৩য় আন্তর্জাতিক গবেষণা সফর-২০২২’ এ অংশ নিতে যাচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষার্থী।
তাঁরা সবাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ (কুবিগস) এর আহ্বায়ক
কমিটির সদস্য। আগামী ১০ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন
সেমিনার ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন তাঁরা। ভারতের
বেঙ্গল ইন্সটিটিউট অব পলিটিকাল স্টাডিজ এর যুগ্ম সম্পাদক ডা. দেবাশীষ
নন্দীর পাঠানো ইমেইল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইংরেজি বিভাগের আনিসুর রহমান ও সাবিরা সুলতানা জলি, নৃবিজ্ঞান বিভাগের
জান্নাতুল মাওয়া মীম এবং আইন বিভাগের মাইশা রহমান রোদিতা।

জানা যায়, “দ্য কন্ট্রিবিউশন অব দ্য টুরিজম ইন্ডাস্ট্রি টু শ্রীলঙ্কা’স
ইকোনমিক ক্রাইসিস” শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপনা করার জন্য এই নবীন
গবেষকরা বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ (বিআইপিএস) এর ৫ম
বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে। পাশাপাশি, প্রেসিডেন্সি
ইউনিভার্সিটি, যাদবপুর ইউনিভার্সিটি, আলিয়া ইউনিভার্সিটি এবং হীরালাল
মজুমদার মেমোরিয়াল কলেজ ফর উইমেনে শিক্ষা বিনিময় কর্মসূচি করবে। এছাড়াও
৮ দিনের সফরে ভারতের ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থান ভ্রমণের সুযোগ পাবে
শিক্ষার্থীরা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও এ সম্মেলনে অংশ নিবেন ঢাকা
বিবিশ্ববিদ্যালয়, বিইউপি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
গবেষণা সংসদের তরুণ গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দ।

কুবি গবেষণা সংসদের আহবায়ক আনিসুর রহমান বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
গবেষণা সংসদের মাধ্যমে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা বান্ধব
পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই৷ গবেষণায় অবদান রাখার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছি
আমরা। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাবি গবেষণা সংসদ সহ এবার আমরা কুবি গবেষণা
সংসদের চারজন যাচ্ছি ভারতে।

এ বিষয়ে কুবি গবেষণা সংসদের মডারেটর ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক
ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী
করতে আমরা কাজ করছি। আন্তজার্তিক সম্মেলনে অংশগ্রেণের মধ্যে দিয়ে
শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব
দরবারে তুলে ধরবে বলে আমরা আশাবাদী।