আলোচিত যুবলীগ নেতা হত্যাকান্ডে আটক ৩

সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার নিয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, কালো হাইস গাড়ির চালক তিতাস লালপুর এলাকার সামছুল হকের ছেলে সুমন(২৭),তিতাস জিয়ারকান্দি এলাকার মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে শাহপরান(৩৪), ও তিতাস জিয়ারকান্দি এলাকার মৃত কালু মিয়ার ছেলে রবি(৩৩)।ঢাকার নারায়নগঞ্জের মদনপুর ও মালিবাগ চৌধুরী পাড়া এলাকা হতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম।

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে জেলা পুলিশ একাধিক টিম নিয়ে তদন্তে মাঠে কাজ করছে। র‌্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলসহ আশপাশের বাড়িঘর ও স্থাপনার বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম জানান, এ মামলার এজাহারনামীয় আসামির মধ্যে সুজন ও আরিফ নেপালে, বাদল দুবাই, শাকিল ভারতে ও অলি হাসান সৌদি আরবে এবং কালা মনির পালিয়ে গেছে।আরও আসামি দেশে অবস্থান করছে। এই কিলিং মিশনে অংশ নেয়া বোরকা পরা ৩ দুর্বৃত্তের পরিচয় অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় এখনই বলা যাচ্ছে না। বিদেশে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে ইণ্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য,গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে দাউদকান্দির গৌরীপুর পশ্চিম বাজার ঈদগাহ এলাকার মসজিদ গলিতে জামাল হোসেনকে (৪০) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। জামাল তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের দুইদিন পর ২ মে রাত সাড়ে ১১টায় জামালের স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।