আসন্ন কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে – ডিআইজি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার ।। আসন্ন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। যদি কুমিল্লা জেলা পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব না হয় সে জন্য পাশর্^বর্তী জেলাগুলো থেকে পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ফর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট উদ্বোধন শেষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন এ কথা বলেন।
এ সময় সংবাদকর্মীরা জানান, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে। এ নিয়ে রিপোর্ট করায় সম্প্রতি এক সংবাদকর্মীকে গুলি করে হত্যা করে মাদক কারবারীরা। মাদক ও চোরাচালান বন্ধে পুলিশের কার্যক্রম কি এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা জানি কুমিল্লা সীমান্তবর্তী জেলা। পাঁচটি থানা সীমান্তঘেষা। আমরা ওই পাঁচটি থানাধীন এলাকাগুলোতে ঈদের পরই জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বসে মাদক ও চোরাচালান বন্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেবো। এ জন্য পুলিশকে সহযোগীতা করতে হবে। পাশাপাশি সবাইকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে মাদক ও চোরাচালান বন্ধে ভূমিকা রাখতে হবে।
এদিকে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ফর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উদ্বোধন শেষে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক আহমেদ বলেন, কুমিল্লা একটি প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা। প্রতিমাসে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানা হতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইস্যু করা হয়। এখন থেকে জেলার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে প্রদান করা হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নের লক্ষ্যে এই সার্ভিসটি চালু করা হয়েছে। এখন সবাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিসে আসবে। আর জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি মনিটরিং করবেন। সার্বক্ষণিক সিসিটিভি বেষ্টিত থাকবে ওয়ান স্টপ সার্ভিসটি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমান্ডেন্ট ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুমিল্লার পুলিশ সুপার নরেশ চাকমা, সিআইডির পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ডিএসবি) আফজল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) সোহান সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর দফতর) রাজন দাশসহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা।