কাল পবিত্র ঈদ-উল আযহা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার ।। কাল রবিবার সারাদেশে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র ঈদ-উল আযহা পালন করবে। এদিন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মাওলানা ক্বারি মো. ইব্রাহিম।
আল্লাহ হযরত ইব্রাহীমকে (আঃ) পরীক্ষা করেছিলেন। মহান আল্লাহ’র এই আদেশ পালন করে কঠিন পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হন ইব্রাহীম (আঃ)। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য, এই ঘটনাটি স্মরণ করে সারা বিশ্বের মুসলিম পরিবার প্রতি বছর এই দিনটি নামে উদযাপন করে থাকে। ঈদ একটি ইসলাম ধর্মীয় উৎসব। জ্বিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর ইসলামী কেলেন্ডার অনুযায়ী জ্বিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আযহা পালন করা হয়। মুসলিম পরিবারদের জন্য ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আযহা সবচেয়ে বড় উৎসব। ঈদ মানে সব দুঃখ, বেদনা, ভুলে আনন্দ ও খুশিতে মেতে উঠা।
ঈদের দিন সকালে ফজরের নামাজের পর গোসল করে নতুন জামা-কাপড় পরে সবাই মিলে ঈদগাহ মাঠে অথবা মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। নামাজের পর কুরবানির প্রস্তুতি নেয়া হয়। জ্বিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ হতে ১২ তারিখ এই তিন দিন ঈদ-উল আযহার কুরবানি করা করা যায়। কুরবানি সার্মথ্যবান নারী ও পুরুষ উভয়ের উপর ওয়াজিব।
যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী গরু, ছাগল, খাসি, ভেড়া, মহিষ, উট ইত্যাদি আল্লাহর নামে কুরবানি করা উত্তম। আমাদের দেশে মহিষ, গরু, খাসি, ছাগল ইত্যাদি বেশি কুরবানি করে হয়ে থাকে।
কুরবানির মাংস গরিবদের, প্রতিবেশীদের ও আত্মীয়-স্বজনদের ভাগ করে দেয়া হয়। কুরবানি করার পর মাংস তিন ভাগ করে এক ভাগ নিজের, এক ভাগ আত্মীয়স্বজন ও একভাগ গরিব মিসকিনদের মধ্যে ভাগ করা হয়। কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রির টাকা দান করার নির্দেশ রয়েছে।
ঈদের দিনে ধনী-গরিব, ছোট-বড় ও দুশমন-শত্রু কোন ভেদাভেদ নাই। সবকিছু ভুলে ঈদের দিনে এক কাতারে নামাজ পড়ি। কোলাকুলি করে থাকি। ঈদ আমাদের একজন ও আরেকজনের প্রতি আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ শিক্ষা দেয়।