কুমিল্লায় অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে কলেজ শিক্ষিকার মৃত্যুর মামলায় স্বামীর জামিন না মনজুর

জেলে পাঠালো বিচারক
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

রহস্যজনক অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে নিহত কলেজ শিক্ষক তাহমিনা মুনার ভগ্নিপতি তারিকুল ইসলামের মামলায় আজ বৃহস্পতিবার মুনার স্বামী সুমন সালাউদ্দিন(৩২) আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলী আদালতের মূখ্য বিচারক হাকিম মাজহারুল হক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন।

এদিকে মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পরিদর্শক মুজিবুর রহমান ও কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হানিফ সরকার।

অভিযুক্ত স্বামী সালাউদ্দিন সুমন পুলিশ হেফাজতে ———————————————— কুমিল্লার জমিন

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হানিফ সরকার বলেন, তদন্তের জন্য আমরা সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছি। আদালত পরের শুনানিতে আশা করি রায় দিবে।

কোর্ট পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, নিহত মুনার স্বামী সুমন সালাউদ্দিন কোর্টে আত্মসমর্পণ করেছে। কোর্ট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তবে রিমান্ডের খবর পাইনি। সে আমাদের হেফাজতে আছে।
এর আগে প্রভাষক মুনার মৃত্যুকে হত্যা দাবি করে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভগ্নিপতি তারেকুল ইসলাম। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন তিনি।

গত ২৯ আগস্ট রাতে নগরীর রেইসকোর্স ভাড়া বাসায় গ্যাসের আগুন প্রথমে দগ্ধ হন মুনা। এ সময় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছিলেন মুনার কোমরসহ শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, নিহত মুনা কুমিল্লা মডেল কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। মুনা নগরীর পাথুরিয়াপাড়ায় এলাকার মো. ইউনূসের মেয়ে। স্বামীর বাড়ি জেলার চান্দিনা উপজেলার হারং ভূইয়া বাড়িতে। তাহমিনা মুনা কুমিল্লা মডেল কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী। সে বাবার মায়ের ১১ সন্তানের মধ্যে ছিলেন ১০ম। তার ২ বছর ৩ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।