কুমিল্লায় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া : মোটর সাইকেলে আগুন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

কুমিল্লা সদর আসনের এমপি ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারের অনুসারী দু’গ্রুপের মাঝে রোববার দুপুর আড়াইটায় কুমিল্লা শহরতলীর ধর্মপুর রেলগেইট এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গোলাগুলি ও একটি মোটর বাইক পুড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদুর রহমান।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২১ অগাস্ট বোমা হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নগরীর টাউনহলে জনসভার আয়োজন করে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ। এতে প্রধান অতিথি করা সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারকে। এ সময় সভাস্থলে আসা নিয়ে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ৩ নম্বর দক্ষিন দূর্গাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল হান্নান সোহেল ও ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবুল বাশারের ওরফে বাদশা মিয়ার সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় যুবলীগকর্মী শহিদুল ইসলাম চপল বলেন , ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে হাজী বাহার এমপির টাউন হলে ডাকা গনজমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিলে আসার পথে ওর্য়াড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসারের উপর হামলা করে ইউপি মেম্বার সোহেল। খবর পেয়ে আমাদের কর্মীরা ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। বিক্ষুব্দ কর্মীরা তার মোটর বাইক পুড়িয়ে দেয়।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হান্নান সোহেল বলেন, আমি আমার বন্ধু রাসেলের মোটর বাইকে করে জনসমাবেশে যাচ্ছিলাম। পথে আবুল বাশার ও তার লোকজন পেছন থেকে আমার উপর গুলি বর্ষণ করে। আমরা পালিয়ে যাই। পরে তারা আমাদের মোটর বাইকটি পুড়িয়ে দেয়।
কেন এমন করলো এই প্রশ্নে ইউপি সদস্য আবদুল হান্নান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে এই ঘটনা ঘটায়। ঘটনার পর আমাকে সাবেক রেল মন্ত্রীর কর্মী বানানো চেষ্টা বরছে। আমি বাহাউদ্দিন বাহার ভাইয়ের কর্মী। আমি বাহার ভাইয়ের রাজনীতি করতে গিয়ে গুলিও খেয়েছি।

কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। জনসভা শেষ হলে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।