কুমিল্লায় খেজুর বাজার – ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও দাম কমেনি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার। ।

রমজান মাস উপলক্ষে কুমিল্লায় বাহারি সব খেজুরের পসরা সাজিয়েছেন দোকান মালিক ও ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা। তবে খেজুর নিয়ে আগের সেই আগ্রহ নেই ক্রেতাদের মধ্যে। কুমিল্লা নগরীজুড়ে অর্ধশত ভ্রম্যমান দোকানে বিক্রি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যর খেজুর।

এবার কুমিল্লার বাজারে খেজুরের সরবরাহ ব্যাপক থাকলেও সেই অনুপাতে দাম কমেনি।
নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ ওমর ফারক ভুইয়া জানান, বছরজুড়ে কুমিল্লায় ৮-১০ জন ব্যবসায়ী খেজুরের ব্যবসা করে। তবে রমজান মাস এলে ভ্রাম্যমান খেজুর বিক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যায়।
নিজের দোকানে বাহারী খেজুরের কথা উল্লেখ করে ওমর ফারুক বলেন, দিনে গড়ে দশ কেজি খেজুর বিক্রিয় হয়। সবার একই অবস্থা।

কয় প্রকারের খেজুর বিক্রি হচ্ছে দাম কেমন এমন প্রশ্নে ওমর ফারুক বলেন, অন্তত ২২ রকমের খেজুর বিক্রি হচ্ছে কুমিল্লায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো খুরমা হলুদ খেজুর প্রতি কেজি ১৫০, খুরমা কালো, প্রতি কেজি ১৬০ দাফাস প্রতি কেজি ২৫০, বরই কেজি প্রতি ২৩০-২২০, জিহাদী ১৫০, খালাস ২৩০, নাগাল ২৫০, আম্বর ৬৫০, কামরাঙ্গা মরিয়ম নরমাল ৩৮০-৪০০, আজোয়া ৫৫০-৭০০, মাফরুব ভিআইপি ৭০০, মাজদুল ১০০০, কলমি ৪০০, শাফাপি ৫০০, হরিজা ৩৫০, বারারি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউমাকের্টের আরেক ব্যবসায়ী জুয়েল খন্দকার বলেন, এ বছর খেজুরের ব্যবসা ভালো না। তার কারন হিসেবে ব্যবসায়ী জুয়েল উল্লেখ করেন, ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেড়েছে। পাশপাশি এ বছর দামি খেজুরের চাহিদা নেই। যেসব খেজুর ১৫০ থেকে আড়াইশ দরে খেজুর বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর চাহিদা বেড়েছে।

রাজগঞ্জ বাজার থেকে একটি এতিমখানার ইফতার মাহফিলের জন্য ৩ কেজি খেজুর কিনেছেন ইকবাল হোসেন। প্রতি কেজি আড়াইশ করে । ইকবাল বলেন, রাজগঞ্জে সব দোকানে খেজুর বিক্রি হচ্ছে। তবে বুঝে শুনে কিনলে সাশ্রয়ীমূল্য ভালো খেজুর পাওয়া যায়।

রাজগঞ্জ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুর রহমান আজগর বলেন, প্রতিটি দোকানে পর্যাপ্ত পরিমানে খেজুর রয়েছে। কোথাও কোন সমস্যা নেই। দাম ও মানের ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের সাথে আমরা এক হয়ে কাজ করছি।

এদিকে নগরীর অন্যান্য বাজারগুলোতে খবর নিয়ে জানা যায়, খেজুর নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ঠ। বাজারগুলোতে এ বছর খেজুরের সরবরাহ ভালো।

কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, খেজুরসহ নিত্যপ্রযোজনীয় দ্রব্যমূল্যর যেন অস্থিরতা সৃষ্টি না হয় আমরা সে বিষয়টাকে লক্ষ্য রেখে সার্বক্ষনিক বাজার মনিটরিং করছি। পুরো রমজান মাস আমাদের বাজার মনিটিরিং অব্যাহত থাকবে।