কুমিল্লায় প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁসে ক্ষোভ পরীক্ষার্থীদের

সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ ।।
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

কুমিল্লাসহ সারা দেশে গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে যথেষ্ট প্রমাণাদি কুমিল্লার অনেক পরীক্ষার্থীরা তাদের অনলাইনে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করছেন।
এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাষ্য কি! তারা কি নতুন করে পরীক্ষা নেবে নাকি এভাবে লাখ লাখ বেকারের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করবে? আর কত বেকারদের সঙ্গে তামাশা করবে বলে ক্ষোভ জানাচ্ছে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা।
আবদুল হান্নান নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এ অভিযোগের দ্রুত তদন্ত করা হোক। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া না হলে ধরে নিতে হবে এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশার জন্য আবেদন করে কোনো লাভ নেই। কারণ প্রতিবারই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে কিন্তু এর সুরাহ করা হয় না।
তপুতি দেবনাথ নামে আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, আমার সাথের কয়েকজন পরীক্ষার্থীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করে ফেলেছে। এটা কিভাবে সম্ভব! এভাবে আমরা আজ বঞ্চিত হচ্ছি। তাহলে কি আমরা ধরে নিব সবকিছু ক্ষমতা এবং টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে?
সাব্বির হোসেন নামের একজন বলেন, একে তো বাংলাদেশ বেকারত্ব উৎপাদনের অন্যতম কারখানা, তার ওপর প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে বেকারত্ব গোছানো কোনোভাবেই সম্ভব না। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। পরীক্ষার ৩ ঘন্টা আগে এ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সফিউল আলম বলেন, আমি এ বিষয়ে জানতামনা। আমরা পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকলে আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যে সিদ্ধান্ত নিবে তাই আমরা পালন করব। যদি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে বাতিলও হতে পারে।