কুমিল্লায় রানা হত্যা মামলায় ৭জনের ফাঁসী ও ৫ জনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

কুমিলার চম্পকনগর এলাকার সেনিটারী মিস্ত্রি রানা হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসি ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় দেন। মোট ১৬ জন আসামীর মধ্যে চারজনকে খালাস এবং ১২ জনকে দন্ড দিয়েছে আদালত।

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জুয়েল, শুভ, কাজল, শিপন, মোর্শেদ, আলাউদ্দিন ও রিপন। যাবজ্জীবন কারাদন্ড আদেশপ্রাপ্ত ৫জন হলেন, বাদল, ইকবাল, জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার ও সোহেল।

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি জুয়েল , শুভ, কাজল ও মোর্শেদ পলাতক ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাদল ও ইকবাল পলাতক রয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ পি পি রফিকুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পহেলা মে রাতে হত্যা করা হয় চম্পকনগর এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি রানাকে। এই ঘটনায় রানার বাবা জাহাঙ্গির খান ছয়জনকে আসামি করে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী তদন্তে আরো দশ জনকে আসামি করে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করে তদন্ত কর্মকর্তা।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মামলার রায় দেয় আদালত। রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ও ৫ পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাথে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও চারজনকে খালাস দেয়া হয়। রায় প্রদানের সময় মোট নয়জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে তিনজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ও তিনজন যাবজ্জীবন প্রাপ্ত উপস্থিত ছিলেন। খালাসপ্রাপ্ত তিনজন হাজির ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ৪ ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ২জনসহ মোট ছয় আসামি পলাতক রয়েছে।

রায় শেষে মামলার বাদী নিহত রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান দীর্ঘ সময় পরেও ছেলে হত্যার বিচার পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।