কুমিল্লা অঞ্চলে প্রাণিবিদ্যা অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

ফলাফলে এগিয়ে ছাত্রীরা
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

 

আবু সুফিয়ান রাসেল।।

বাংলাদেশে ব্যাঙ-কচ্ছপ চাষে আর্থিক সমৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যাঙ পরিবেশ নির্মল রাখে। ব্যাঙ নিধন বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের নদীর মাছের ওজন কমছে, সাইজে ছোট হচ্ছে দিনদিন। তাই প্রাণিসম্পদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। যে প্রাণি দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে, তার প্রতি আমাদের যত্ন নিতে হবে। প্রাণিরা বাঁচলে পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক থাকবে। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) নবম প্রাণিবিদ্যা অলিম্পিয়াড কুমিল্লা অঞ্চলের অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। সোমবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মিলনায়তনে প্রাণিবিদ্যা অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণিল শোভাযাত্রা, তথ্য সমৃদ্ধ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর পর প্রতিযোগীতা, ডকুমেন্টারি ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। কলেজ পর্যায় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কুমিল্লা অঞ্চলের ছয়টি জেলা থেকে শতাধিক প্রতিযোগী অলিম্পিয়াডে অংশ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. হামিদা খানম, সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবু জাফর খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান অমিতাভ কুমার বাড়ৈ, প্রাণিবিদ অনুকূল চন্দ্র দাস। অলিম্পিয়াডের সমন্বয়ক ছিলেন ড. মহিউদ্দিন মো. শাহজাহান ভূঁইয়া, চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান শওকত ইকবাল ফারুকী।
কুমিল্লা অঞ্চলের প্রতিযোগীতায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মো: গোলাম মোস্তফা। রানার আপ হয়েছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রাশেদা আক্তার।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের কুলসুম আক্তার সামিরা, রানার আপ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ফারিয়া জান্নাত ভূঁইয়া।