কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার ।। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুমিল্লা উত্তর জেলা আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সরকারকে আহবায়ক ও এএফএম তারেক মুন্সীকে সদস্যসচিব করে ৪১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সী কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) নির্বাচনী এলাকার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের আপন চাচা। এনিয়ে কুমিল্লা (উঃ) জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, আমি শহীদ জিয়া এবং দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার রাজনীতি করি, বিএনপিতে আছি এবং থাকব। এখনকার কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের অনুপস্থিত থাকা স্বাভাবিক, কারল কমিটিগুলো হয়-ই বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে। যারা রাতারাতি ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নেতৃত্বে আসেন তারা তার জবাব সময়মতো পাবেন। তার স্ত্রী বেগম মাজেদা আহসান মুন্সীকে আহবায়ক কমিটিতে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, মাজেদা আহসান মুন্সী ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর দলীয় কোনো পদে থাকার পক্ষে নন। তিনিও আহবায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করবেন।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শাহজাহান মোল্লা বলেন, আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মূন্সী আওয়ামী পরিবারের লোক। এএফএম তারেক মুন্সী আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছোট ভাই এবং কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) নির্বাচনী এলাকার বর্তমান সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের আপন চাচা। তিনি বিএনপির পরিচয় দিলেও আদতে বিএনপির বিপক্ষে এবং আ’লীগের পক্ষে কাজ করেছেন।
নবগঠিত কমিটির সদস্যসচিব তারেক মূন্সী তাঁর বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব কথা ষড়যন্ত্র। চলমান রাজনীতিতে তরুণদের সামনে এগিয়ে আনার প্রত্যয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যোগ্য মনে করেই কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব করেছেন। আমি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার রক্ষা এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি রোধে রাজপথে আছি। বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আমার রাজনৈতিক গুরু। তিনি আমাকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বানিয়েছেন। তাঁর সমর্থনেই আমি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করেছি। পারিবারিকভাবে এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী আমার বড় ভাই, রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আমার ভাতিজা।