কুসিক নির্বাচন : প্রধান তিন মেয়র প্রার্থীর বাহাস : অভিযোগে সরগরম নির্বাচনী মাঠ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার ।। দিন যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী উত্তাপ যেন তত বেড়ে চলছে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান দিন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর বক্তৃতার মধ্যেও সে উত্তাপ ফুটে উঠেছে।

নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা আওয়ামীলীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত বলেছেন, সাবেক মেয়র সাক্কু উন্নয়নের নামে জনগণের টাকা লোটপাট করেছেন। সাক্কু বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনে নগরীর মানুষের কাছ থেকে ফ্ল্যাট ঘুষ নিতেন। নিজের কাছে এসবের প্রমাণ আছে জানিয়ে রিফাত ঘোষণা দেন, “নির্বাচিত হলে ১৫ দিনের মধ্যে সাক্কুর দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করে কুমিল্লার মানুষের কাছে পৌঁছে দেব ।

অপর দিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও টেবিল ঘড়ি নিয়ে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, উনি আমার বিচার করার কে ? উনি কি প্রাইম মিনিস্টার ,আর যদি গায়ের জোড় বেশী থাহে কইয়েন স্টেডিয়াম যাইতে, আমিও যামু । আমি চোর হলে উনি বড় চোর । আজ যদি রিফাত ভাই নৌকার মাঝি না হইতো, সীমা হইতো তাহলে রিফাত ভাইতো আমার পিছনে থাকত সীমাকে ফেল করার জন্য ।

অন্যদিকে, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেছেন, কুমিল্লা এখন একটি বসবাসের অনুপযোগী শহরে পরিণত হয়েছে। গত ১০ বছরে নগরীতে ব্যক্তির উন্নয়ন ছাড়া জনগনের কোন উন্নয়ন হয়নি। আল্লাহর রহমতে আমি মেয়র নির্বাচিত হলে কুমিল্লা নগরকে পরিকল্পিত ভাবে সাজাবো। যাতে বাহির থেকে কোন মেহমান আসলে বলতে পারেন এটা আধুনিক কুমিল্লা শহর।

মেয়র প্রার্থী কায়সার নির্বাচনে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়নি দাবী করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত তাদের মর্যাদা রক্ষা করার জন্যই আসন্ন কুসিক নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে সম্পন্ন করা। এ জন্য সৃষ্টি করতে হবে সকল প্রার্থীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করা।
গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন পথ সভায় প্রধান এই তিন মেয়র প্রার্থী এভাবেই নির্বাচনী বাহাস করে চলছেন।