চান্দিনায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী করার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

কুমিল্লা জেলার চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের একজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী করা ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ওই ছাত্রীর বাবা সোমবার(২২ মে) চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সুব্রত আচার্য্য ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় শিক্ষক। তবে ভিকটিমসহ তার সহপাঠীরা ওই শিক্ষকের কাছে গণিত বিষয়ে প্রাইভেট পড়ত। ভিকটিম সুমি (ছদ্মনাম) ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ‘ক’ শাখায় অধ্যয়ন করে।
এদিকে, অভিযোগ দায়েরের পর ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়া একটি মহল ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
লিখিত অভিযোগ ও ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ১৫-১৬ ছাত্রীর সঙ্গে ভিকটিম ওই শিক্ষকের নিকট প্রতিদিন সকালে গণিত বিষয়ে প্রাইভেট পড়ত। চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সংলগ্ন একটি বাসায় কক্ষ ভাড়া নিয়ে বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগে প্রাইভেট পড়াতেন ওই শিক্ষক। গত ১৬ মে সকালে প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যায় সুমি (ছদ্মনাম)। ওইদিন অন্য কোনো সহপাঠী না দেখে সে বাসায় ফিরে যেতে চায়। এ সময় শিক্ষক সুব্রত আচার্য্য ওই ছাত্রী ব্যাগ ধরে টেনে শ্লীলতাহানি করে এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
অপর দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ওই অভিযুক্ত শিক্ষক তার কোচিং সেন্টার চালু রেখেছেন। এনিয়ে সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে শিক্ষক সুব্রত আচার্য্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। তদন্ত করে প্রশাসন সত্য উদঘাটন করবে বলে আমি আশাবাদী’।
এ ব্যাপরে চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ খুর্শীদ আলম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘এমপি মহোদয় আমাদের সভাপতি। তিনি আসলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস শীল বলেন, ‘সোমবার বিকালে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।