জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে শুধু হত্যা করেননি, বাকি হত্যাকারীদের বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থাও করেছিলেন: আইনমন্ত্রী 

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

কুবি প্রতিনিধি ।। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ১৯৯৬ সালের আগে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু করেনি কোনো সরকার। জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত না থাকতেন, তাহলে কেন তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু করেননি। জিয়া শুধু হত্যা করেনি (বঙ্গবন্ধুকে), বাকি হত্যা করেছে তাদের সবাইকে নিরাপদে বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ একাংশ (কাজী ওমর-জাহিদ সমর্থিত) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস ২০২২ ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ উপলক্ষে ‘শোকের আগস্ট, শপথের আগষ্ট’ এ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে পাকিস্তানি দোসররা। পরাজয়ের গ্লানি থেকেই মূলত বঙ্গবন্ধুকে তারা হত্যা করেছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. এস এ মালেক বলেন, মোশতাক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান। আর জিয়াকে সাহায্য করেছিলেন আওয়ামী লীগের কিছু লোভী মানুষ। জিয়া ছিলেন পাকিস্তানের একজন এজেন্ট। তারা কখনো চায়নি বাংলাদেশ নামক কোনো দেশ হোক।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন সহনশীল নেতা। তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম সকলের নেতা ছিলেন।সকল ধরনের মানুষকে তিনি মনেপ্রাণে ভালবাসতেন। এই সর্বজনীন নেতাকে হত্যা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়া ক্ষমতায় আসার পর উনিশ বার অভ্যুত্থান হয়েছে। এতে তিনি সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর অসংখ্য সদস্যদের হত্যা করেন। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশে কোন স্বাধীনতাকামী সৈন্য না থাকুক। এতে কিছুটা সফলও হয়েছেন।
কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন বিশ্ব নেতা। তিনি সবসময় শোষিত মানুষের পক্ষে কাজ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করে ক্ষান্ত হননি,তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে গড়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছিলেন।
উপাচার্য আরও বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আর্দশের রাজনীতি করলেও তার আর্দশ ধারণ করতে পারিনি। তার আর্দশের মধ্যে দুর্নীতি ছিল না, অনিয়ম ছিল না। কিন্তু আমরা এখনো দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারিনি।
অঅনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান। বঙ্গবন্ধু পরিষদ একাংশের সভাপতি কাজী ওমর সিদ্দিকী সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।