টিসিবির পণ্য পেয়ে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ সপ্তাহ আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভর্তুকি মূল্যে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে টিবিসির নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদে নিম্ন আয়ের কার্ডধারী মানুষের মাঝে এ বিক্রি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সদর ইউএনও মো. ইয়ামিন হোসেন। এ সময় সুহিলপুর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ ভূঞাসহ ইউপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যেক কার্ডধারীকে দুই কেজি করে মশুর ডাল, দুই লিটার করে সয়াবিন তেল, এক কেজি চিনি দেয়া হচ্ছে। মশুর ডাল ৬৫ টাকা কেজি, সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটার ও চিনি ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।

সুহিলপুর ইউপির সামনে টিসিবির পণ্য হাতে পেয়ে শিরিনা, আকলিকা আক্তার, সুন্দর আলী ও বাবু জানান, বর্তমান বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অনেক বেশি। স্বল্প মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পেয়ে তারা অনেক খুশি।

স্বল্প মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পেয়ে তারা অনেক খুশি। 

স্বল্প মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পেয়ে তারা অনেক খুশি।

সরকার সব সময় যেনো এই স্বল্প মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে, সরকারের কাছে এই দাবি জানান তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের ইউএনও মো. ইয়ামিন হোসেন বলেন, সদর উপজেলার স্বল্প আয় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে আসন্ন ঈদুল-আজহা উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। আজ সদর উপজেলার সুহিলপুর, সুলতানপুর ও বাসুদেব ইউনিয়নে ছয়টি স্থানে এই টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বর্ষা ও আসন্ন ঈদুল আজহায় এই স্বল্প আয়ের মানুষের টিসিবির পণ্য অনেকটা সহযোগিতা হবে। সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৮ জুন পর্যন্ত ও পরে পৌর এলাকায় এ টিসিবির পণ্য বিক্রিয় করা হবে। আগের ঈদুল ফিতরের সময় কার্ডধারীরেদের মাঝেই এখন টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। ঈদুল-আজহার আগেই এই পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শেষ হবে।

জেলার ৯টি উপজেলার ৮৪ হাজার ৩৪৭ জন কার্ডধারীর মধ্যে আখাউড়া উপজেলায় ৪৯৮৫ জন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৯৩২৯ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৬২৪১জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও পৌরসভায় ১৬৬৩৮ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৩৩৪০ জন, কসবা উপজেলায় ৮ হাজার ১৬ জন, নবীনগর উপজেলা ও পৌরসভায় ১৩ হাজার ৮১২ জন, নাসিরনগর  উপজেলায় ১২ হাজার ৭৭৬, সরাইল উপজেলায় ৯ হাজার ২১০ জন কার্ডধারী ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য পাবেন। জেলার ৯টি উপজেলার ৪০ জন টিসিবির ডিলারের মাধ্যমে এই পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে