বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তিনি দেশে ফিরছেন। তাকে ঢাকার ৩০০ ফিট সড়কের কাছে তৈরি করা মঞ্চে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি সংবর্ধিত হবেন দলীয় নেতাকর্মী, দেশের মানুষের ভালোবাসায়।
এখানে এই সড়ক ও তার আশপাশে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। তারা উদ্দীপ্ত, তারা উজ্জীবিত। এত বছর পর সেই প্রিয় নেতাকে দেখতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন পথ ধরে ঢাকায় আসছেন দলের নেতাকর্মী-সমর্থকরা। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষও ভিড় করছেন।
ভিড় ও অন্যান্য ভোগান্তি এড়াতে আগেই উপস্থিত হতে তাদের মধ্যে দেখা গেছে অদম্য উৎসাহ।
ঢাকায় যাদের আত্মীয়-স্বজন বা থাকার ব্যবস্থা আছে, তারা পথের দুর্ভোগ এড়াতে আগেভাগে ঢাকায় চলে এসেছেন। তবে গত সোমবার থেকে দলবদ্ধভাবে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসতে থাকেন। গতকাল বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে, লঞ্চে, বাসে চেপে নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় পৌঁছার পর নেতাকর্মীরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংবর্ধনাস্থল পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের মঞ্চ পরিদর্শন করে ছবিসহ নানা তথ্য শেয়ার করেছেন ফেসবুকে।
কুমিল্লা, সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীরা এসেছে। বাগেরহাট জেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক সভাপতি এম. এ. সালাম জানান, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বাগেরহাট থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন। ১৫০টি বাসে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসছেন।
এ ছাড়া অনেকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ও গাড়িতেও ঢাকায় পৌঁছেছেন। সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলা থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় রওনা হয়েছেন। বরগুনা জেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কমপক্ষে ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক বাস ও লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। বরগুনা জেলার বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার পথে রওনা দেন।
এ ছাড়াও পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলা থেকেও কমপক্ষে ২০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।