তিতাস ভোট কেন্দ্রে পরিদর্শণকালে জেলা প্রশাসক -কেউ  কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তাকে গ্রেফতার করতে বলেছি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

মাহফুজ নান্টু ।।
ভোট কেন্দ্রের সামনে পর্যাপ্ত  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। যারা আসছেন সবাইকে  তল্লাশী করা হচ্ছে। প্রার্থীরা তাদের এজেন্ট নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। এমন দৃশ্য দেখা গেলো কুমিল্লা জেলা পরিষদের দুই নম্বর ওয়ার্ড তিতাস উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রে।
কেন্দ্রের বাইরে প্রার্থীরা কৌশলী আচরণ করছেন। ইনিয়ে বিনিয়ে নিজের প্রতীক সম্বলিত হ্যান্ডবিল তুলে দিচ্ছেন। ভোটাররাও হাসিমুখে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
প্রথমবারের মত কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে  ইভিএম মেশিনে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।
ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে হাসিমুখে বের হলেন তিতাস উপজেলার জগৎপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোঃ মোফাজ্জল হোসেন। তিনি জানান, যেহেতু চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে তাই দুটি ভোট দিয়েছি। একটি সাধারণ ওয়ার্ড অন্যটি সংরক্ষিত সদস্য। প্রথমবার ইভিএমে ভোট দিয়েছি। ভালো লেগেছে।
তিতাস উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আশিকুর রহমান জানান,  সকাল ৯ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে দুপুর ২ টা পর্যন্ত।  এই ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে তিনজন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৪ জন মিলে মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এই ওয়ার্ডে ১২০ জন ভোটার। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯২ এবং নারী ভোটার ২৮ জন।
তিতাস কেন্দ্রে পরিদর্শন করেন কুমিল্লা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। তিনি বলেন একবারে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। আমরা নির্দেশনা দিয়েছি কেউ  কোন প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তাকে গ্রেফতার করতে।
তিতাস কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলা পুলিশ বদ্ধ পরিকর।
কুমিল্লা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুঞ্জরুল আলম জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে দুটি করে ইভিএম মেশিন আছে। ব্যাকআপ হিসেবে ৪ টা করে ইভিএম  আছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আরো ১৫ টি মেশিন রয়েছে। তাই কোথাও ইভিএম সমস্য হলে আমাদের কোন চিন্তা নেই।
প্রসঙ্গতঃ জেলা পরিষদ নির্বাচনে কুমিল্লায় চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই আজ ১৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টি ওয়ার্ডে এবং ৬টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে ৫টিতে ভোট গ্রহণ চলছে। ১২টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৪৭ জন এবং পাঁচটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৮ জন প্রার্থী হয়েছেন। মোট ভোটার হলো ২৬৭৯ জন।