নাঙ্গলকোটে তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি :  কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে চলছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং। গত ৩/৪ দিন ধরে সদরসহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো প্রকার বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। ঘণ্টায় অন্তত ১০/১২ বার করে বিদ্যুৎ আসে আর যায়। এতে করে চলতি রোজাদাররা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।স্থানীয়রা জানান, পবিত্র মাহে রমজানের ১৫ রোজার পর থেকেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এই অঞ্চলের মানুষ। প্রায় সময় কোনো কারণ ছাড়া বিদ্যুৎ থাকে না। সামান্য বাতাস শুরু হলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। ঝড় বৃষ্টি হলে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এর মধ্যে কয়েকবার মাইকিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে সারা দিন মেরামত করার পরও লোডশেডিং নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।
অভিযোগ উঠেছে নাঙ্গলকোট বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য অজুহাতে প্রায়শই বিদ্যুৎ থাকছে না।
এ ছাড়া বিদ্যুতের এই বিভ্রাটের কারণে চরম ক্ষতির সম্মুখীন জেলার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস, দোকানপাটসহ স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারা। প্রচণ্ড গরম ও পবিত্র রমজান মাসে অতিষ্ঠ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠছেন সাধারণ মানুষজন। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা সদর ও অন্যান্য ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অভিযোগ ইফতার, তারাবির নামাজ ও সাহরির সময় দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়মিত হয়ে গেছে। একদিকে রমজান মাস অন্যদিকে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের তীব্র দাবদাহ। এ অবস্থায় ঘনঘন বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে জনজীবন। গরম থেকে ঠান্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ছে বৃদ্ধ এবং শিশুরা।

ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করায় বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্রপাতিগুলো নষ্ট হওয়ার আশংকা প্রকাশ করছেন অনেকেই।ঢালুয়া গ্রামের বাসিন্দা এয়াছিন জানান, যদি লাইনে কোনো সমস্যা থাকত, তাহলে একেবারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকত। লাইনে কোনো সমস্যা নেই। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর নাঙ্গলকোট জোনাল শাখার ডিজিএম মোঃ ছাদেক জানায়, গত ৩ দিন ধরে ঝড় ও বজ্র পাতের কারণে বিদ্যুৎ লাইনের ক্ষতি হয়। লাইনে কাজ চলছে, তাই লোডশেডিং একটু বেশি হচ্ছে।