নাঙ্গলকোটে দু’ বখাটে চাচার যৌন লালসার শিকার মা হারা এক ছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি : কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীহাস্য গ্রামের নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া এক মা হারা স্কুল ছাত্রীকে গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পাশ্ববর্তী বাড়ীর দু’ চাচার বিরুদ্ধে। ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্তরা হলো দক্ষিণ শ্রীহাস্য বড় বাড়ীর মুকবুল আহাম্মদের ছেলে ফরহাদ ও ফকির বাড়ীর দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সবুজ। শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বাড়ীর উঠান থেকে মুখ চেপে ধরে ওই ছাত্রীকে উঠিয়ে নিয়ে পশ্ববর্তী নির্জন স্থানে ধর্ষণ চেষ্টা চালান বলে জানান ভূক্তভোগী স্কুল ছাত্রী। এ সময় ওই ছাত্রীর আত্মচিৎকারে পাশ্ববর্তী বাড়ীর লোকজন এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বিবস্ত্র অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় রবিবার সকালে ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ফরহাদ ও সবুজের নামে নাঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ শ্রীহাস্য গ্রামের ভূক্তভোগী নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর মা তার জন্মের সময় মারা যান এবং বাবা চট্টগ্রামে ব্যবসা করেন। যার ফলে সে লালিত পালিত হন তার চাচীর কাছে। শুক্রবার রাতে বাড়ীর উঠানে পায়চারি করার সময় হঠাৎ ওই ছাত্রীকে মুখ চেপে গলায় ছুরি ধরে পাশ্ববর্তী কবরস্থান সংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে যায় দক্ষিণ শ্রীহাস্য গ্রামের ফরহাদ ও সবুজ নামে দু’ বখাটে। অভিযুক্ত দু’ বখাটে ভূক্তভোগী ছাত্রীর সম্পর্কে চাচা হন বলে জানান স্থানীয়রা। বখাটেরা ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে সে শোরচিৎকার করলে পাশ্ববর্তী বাড়ীর আবু নেছার উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সজিব ও ফকির আহাম্মদের ছেলে আব্দুল কায়ুম টর্চ লাইট নিয়ে কবরস্থানের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এর পূর্বেও অভিযুক্ত দু’ বখাটের বিরুদ্ধে ওই স্কুল ছাত্রী সহ কয়েকজনকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ রয়েছে।
ভূক্তভোগী ছাত্রীকে উদ্ধারকারী সাইফুল ইসলাম সজিব ও আব্দুল কাইয়ুম বলেন, আমরা কান্নার আওয়াজ শুনে কবরস্থানের দিকে গিয়ে দেখি মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে আছে । পরে তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে আসি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, মা হারা মেয়েটির উপর যে নির্যাতন হয়েছে আমি প্রশাসনের কাছে এ জগন্যতম ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক নিশাত বড়ুয়া বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।