নাঙ্গলকোটে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫০১ জনকে আসামী করে মামলা, গ্রেফতার ১৯

সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়া, বিএনপি আহবায়ক ও সদস্য সচিব’সহ
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি : কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিএনপি-আওয়ামীলীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে নাঙ্গলকোট থানায় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ এনে বুধবার রাতে মামলা করে পুলিশ। নাঙ্গলকোট থানা পুলিশেল উপপরিদর্শক স্বাধন চন্দ্র নাথ বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়া, জেলা বিএনপি য্গ্মু আহবায়ক ও উপজেলা আহবায়ক নজির আহাম্মদ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন নয়ন’সহ ৫১জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৪৫০জনকে আসামী করে মামলা করা হয়। মামলার এজাহার নামীয় ১৯ আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার কনকৈইজ গ্রামের ইয়াছিন আরাফাত, উরুকচাইল গ্রামের রকিব মজুমদার, শাহজাহান সুজন, সাগর, সেলিম হাসান মোতালেব, হাসান আহম্মদ, চিওড়া গ্রামের ইসহাক মজুমদার, পৌরসভার মান্দ্রা গ্রামের বোরহান উদ্দিন, দৌলখাঁড় গ্রামের এম.এ আজাদ মজুমদার, গিয়াস উদ্দিন, ঘোড়াময়দান গ্রামের গোলাম মুস্তফা মানিক, আব্দুর রহিম, সাহাব উদ্দিন, বাম গ্রামের মঈনুল আলম মজুমদার, পাইকোট গ্রামের আব্দুস সাত্তার, আলা উদ্দিন, নারান বাতুয়া গ্রামের মোশারফ হোসেন, লালমাই উপজেলার শমেশপুর গ্রামের নাজমুল হাসান, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার পানিয়া গ্রামের আবু সাঈদ।
উল্লেখ্য, বিদ্যুত, জ্বালানী ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ও পুলিশের গুলিতে ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বুধবার সকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়। অপর দিকে একই সময়ে বিএনপির নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সমাবেশ ডাকে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে নাঙ্গলকোট বাজার আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারসেল ও গুলি ছুঁড়ে। উভয় পক্ষের সংঘর্ঘে ও টিয়ারসেল এবং রাবার বুলেটের আঘাতে ৫০শিক্ষার্থী ও পুলিশ’সহ উভয় পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। সংঘর্ষের সময় উপজেলা বিএনপি কার্যালয়, লোটাস চত্ত্বর, পুলিশের পিকআপ, নাঙ্গলকোট এ্যাপোলো হাসপাতাল, কয়েকটি মোটর সাইকেল ও বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ীঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন বলেন, পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ১৯জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে, বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।