নারীকে শালিসে মারধরের মামলায় যুবক গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিসে মরিয়ম বেগম নামে এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা নিয়েছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ মামলা গ্রহণ এবং এজহারভুক্ত ৭ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে। শনিবার উপজেলার ত্রিশ গ্রামে অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেন (৩০) নামের আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার সকালে আহত মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
অপর অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের মৃত শাহ আলম মেম্বারের ছেলে ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন, তার ছোট ভাই সুমন সরকার, রাসেল মিয়া, সুধন মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া, হাসু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া, তবদল মিয়ার ছেলে রনি মিয়া, লতু মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাশিম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসমিরা পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তদের আটেকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, পূর্ব বিরোধ এবং গত ইউপি নির্বাচনে ভোট না দেয়ার অভিযোগ এনে গত ২৮জুন রাতে মুরাদনগর উপজেলার ত্রিশ গ্রামের মরিয়ম বেগমকে লোক মারফত কোম্পানীগঞ্জ বাজারে ডেকে আনেন ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেন। এ সময় এক ব্যবসায়ীর দোকানে শালিসে বসেন। এসময় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন তার দলবল ওই নারীকে শ্লীলতাহানিসহ ব্যাপক মারধর করেন। এক পর্যায়ে আত্মরক্ষায় ওই নারী এদিক সেদিক ছোটাছুটি করলেও হামলাকারীরা তাকে দৌড়ে গিয়ে নির্যাতন করেন। মারধরের সময়ে ধারণকৃত সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়।