কুমিল্লা ডায়বেটিক হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মো. মোস্তাক মিয়া বলেছেন, যারা গত ১৭ বছর উন্নয়ন উন্নয়ন করেছেন তারা কুমিল্লা ডায়বেটিক হাসপাতালে উন্নয়নের নামে দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করে গেছেন। সেবা মূলক এই প্রতিষ্ঠানকে লুটেপুটে খেয়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রেখে গেছেন। এই সময়ে তারা উন্নয়ন তো দূরের কথা হাসপাতালে নতুন একটি ইটও গাঁথেনি। গতকাল শনিবার সকালে বিশ^ ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা ডায়াবেটিস সমিতি কর্তৃক আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালী উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
কুমিল্লা ডায়বেটিক হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া আরো বলেন, সারা বাংলাদেশে মরহুম ডা. ইব্রাহিম সাহেব ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। আর কুমিল্লায় একুশে পদক প্রাপ্ত ডা. যোবায়দা হান্নান সবার সহযোগিতায় এই হাসপাতাল করে গেছেন। বর্তমানে আমরা এক বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে হাসপাতালটি সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। কারণ, এখানে এসে একটি শূন্য জায়গাটিকে আমরা অনেক কষ্ট করে ভরাটের চেষ্টা করছি। কারণ, এখন জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ডায়াবেটিক হাসপাতাল রয়েছে। কুমিল্লা শহরের বিঞ্চুপুর এলাকায়ও একটি বড় হাসপাতাল প্রতিষ্টা হয়েছে। সুতরাং এখন আর রোগীরা আমাদের হাসপাতালের উপর একক নির্ভর করে না। ফলে আমাদের সেবার মানের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন কাজের দিকেও মনোনিবেশ করতে হচেছ।
মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতালে এখন শুধু ডায়াবেটিস রোগীদেরকেই চিকিৎসা দেয় না। অন্যান্য রোগেরও সার্বক্ষনিক সুচিকিৎসা করা হয় স্বল্প মূল্যে।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. অজিত কুমার পাল, ডা. দিলরুবা, কুমিল্লা অন্ধ কল্যান সমিতির সভাপতি এড. আ হ ম তাইফুর আলম, কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতালের সহ সভাপতি ডা. ফজলুর রহমান মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরে আলম ভুঁইয়া, হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ জেড এম আফজাল( জুয়েল) প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার র্যালীটি কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতালে এসে শেষ হয়। এখানে দিনভর ফ্রি ডায়াবেটিক রোগের পরীক্ষা করা হয়।