ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদ্রাসার ছাত্রকে বলৎকার করার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, থানায় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

কুমিল্লার ব্রা‏হ্মণপাড়ায় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার নয় বছর বয়সী এক ছাত্রকে বাসায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। গত শনিবার এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষনের মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক হাফেজ নুর মোহাম্মদ (১৯) সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার বগাইয়া হাওর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
তিনি কুমিল্লার ব্রা‏হ্মণপাড়া উপজেলার আসাদনগর পূর্বপাড়া রওয়াদুতুল আলফা হাফেজিয়া ও এতিম খানার শিক্ষক। গ্রেপ্তার হওয়া ওই শিক্ষককে রোববার দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নয় বছর বয়সী মাদ্রাসার ছাত্র ওই মাদ্রাসায় হাফেজিয়া শাখায় পড়াশুনা করত। ওই মাদ্রাসায় হাফেজিয়া শাখায় শিক্ষকতা করতেন হাফেজ নুর মোহাম্মদ। গত শনিবার রাতে ওই শিক্ষক তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বলৎকার করে। এ সময় ওই ছাত্রের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে এসে এ ঘটনা দেখতে পায়।
এ সময় স্থানীয় লোকজন এ ঘটনা দেখতে পেয়ে তাকে আটক করে ব্রা‏হ্মণপাড়া থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ব্রা‏হ্মণপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। ওইদিন রাতেই ওই ছাত্রের পিতা বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯(১) ধারায় ধর্ষনের মামলা দায়ের করেছেন। ওই শিক্ষককে গতকাল রোববার দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
ব্রা‏হ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কার জনক। শিশুটিকে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক জোরপূর্বক ধর্ষন করেছে। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে গিয়ে তাকে আটক করে রেখেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।