মুরাদনগরে আধা কিলোমিটারে ২টি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

এন এ মুরাদ ।। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ – গুঞ্জর সড়কের উপর নির্মিত আধা কিলোমিটার দূরত্বে দু’টি সেতুর মাঝ বরাবর ভেঙে গেছে। বাধ্য হয়ে ৩০ গ্রামের বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন ওই সেতু দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশাও। যেকোনো মুহূর্তে সেতুটি ধসে পড়ে হতাহতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় , স্বাধীনতা সংগ্রামের পর গুঞ্জর সড়কের আলিম মাস্টারের বাড়ির সামনে ৩০ফুট দৈর্ঘ ও ১৫ ফুট প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। বয়সের ভারে ভেঙে যাওয়া সেতুটি স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগীতায় জাহাজ কাটা স্টীলের প্লেট দিয়ে ঢেকে চলছে অনেক দিন। আবার নতুন করে ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। একই সড়কের ২শ গজের মধ্যে আরেকটি সেতুর ২৫ স্কয়ার ফুট অংশ ভেঙে পড়ে আছে। সেতুটির দৈর্ঘ ২৮ ফুট ও প্রস্থ ১৪ ফুট। সেতুর এক পাশ স্টীলের বড় দু’টি পাটাতনের জোড়াতালি দিয়ে ঢাকা।
স্থানীয়রা জানান, সেতু দুটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে বছর দুয়েক আগে। এই সেতু দুটি দিয়ে ১৪ নং নবীপুর ইউনিয়নের জনগণ ছাড়াও পাশের উপজেলায় অবস্থিত রসুলপুর ইউনিয়ন ও সুবিল ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রতিদিন আসা-যাওয়া করে। ভাঙা সেতু দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছাড়া অন্য কোন গাড়ি চলাচল করতে পারে না। দূরদূরান্ত থেকে ৪ চাকার গাড়ি নিয়ে আসা যাত্রীরাও খুব ভোগান্তিতে আছে।

১৪নং নবীপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল খায়ের বলেন, ব্রীজটির ব্যাপারে এলজিইডি’কে অবহিত করা হয়েছে। শ্রীঘই নতুন ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।

মুরাদনগর উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন , ‘আপাতত ভাঙা সেতু দুটি মেরামত করে চলাচলের উপযোক্ত করা হবে। তারপর নতুন করে সেতু নির্মাণ করা হবে ’।