মুরাদনগরে ইকবাল বাহিনীর আতঙ্কে এলাকাবাসী 

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

কুমিল্লার মুরাদনগরে ইকবাল বাহিনীর অপকর্মে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। সন্ত্রাসী হামলা, কুপিয়ে জখম, দখলদারিত্ব, চাঁদা দাবি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ এই বাহিনী সদস্যদের বিরুদ্ধে।
ইকবাল বাহিনীর বিরুদ্ধে ৫/৬ টির ও বেশি মামলা রয়েছে। সাধারণ ডায়েরি (জিডি) কিছু থাকলেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে এই বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ নিতে চায় না বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
মুরাদনগর উপজেলার দারোরা বাজার লক্ষীপুর গ্রামের মৃত হাজী আবদুল মতিনের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪২) সম্প্রতি আদালতে ইকবাল বাহিনী সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। তিনি জানান, গত ২৫ শে এপ্রিল একই এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন বাহিনী ১৫-২০ জন লোক আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা বলে মাছের পুকুর রাখতে হলে চাঁদা দিতে হবে। না হয় পুকুরে চাষ করতে দিবেনা। পরে এই কথার জের ধরে তার বাহিনী আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা করে। আমার স্ত্রী আমাকে বাঁচাতে আসলে তার উপর ও হামলা করে। পরে মানুষজন দৌড়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। আমি মামলার পর থেকে আতঙ্কে বসবাস করছি। আমি প্রশাসনের কাছে এই হামলার সুষ্ঠ বিচার ও আমার নিরাপত্তা চাই।
ওই এলাকার বাসিন্দা শহিদুল বলেন, এই ইকবাল বাহিনীকে প্রশাসন যদি না দমাতে পারে তাহলে আমাদের এলাকা,সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। গ্রামবাসী তাদের নিষেধ করলে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হুমকি ও মারধর করে। আমরা পুরো সমাজ এই বাহিনীর থেকে মুক্তি চাই।
আমজাদ নামে আরেক লোক বলেন, জাহাঙ্গীরকে হামলার পর এলাকায় আরো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশাসন তাদের এখনও আটক না করায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তাদের থেকে এলাকাবাসী মুক্তি চায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজীজুল বারী বলেন, এলাকায় কেও সন্ত্রাসী কায়দায় ত্রাস করবে এমন সাহস কারো এখনও হয়নি। এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।