মুরাদনগরে শিশু ছাত্র বলাৎকার চেষ্টায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

হুজুর আমাকে দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ চুষায়। তারপর পায়জামা খুলে বায়ূপথে খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। আমি অসুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যাই। এভাবেই একজন নরপিশাচ শিক্ষকের বর্ণনা দেন বলাৎকারের শিকার শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ দারুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসায়। রবিবার (২ অক্টোবর ) সকাল সাড়ে ১০ টায় এঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মনিরুল ইসলাম (২৩) একই উপজেলার বাবুটি পাড়া ইউনিয়নের গান্দ্রা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে পাশে উত্তর ত্রিশ দারুল কোরআন হিফয মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র শিশু( ৭)। শনিবার সকাল ১০টায় সকল ছাত্ররা যখন ঘুমাতে যায় তখন শিক্ষক হাফেজ মনিরুল ইসলাম শিশুটিকে তার রুমে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুকে দিয়ে প্রথমে শিক্ষক পুরুষাঙ্গ চুষায়। পরে শিশুটির পায়জামা খুলে বায়ূপথে বলাৎকার করার চেষ্টা করে।
শিশুর পিতা মোঃ সোহেল মিয়া সাংবাদিকদের বলেন – হাফেজি মাদ্রাসার শিক্ষক আমার ছেলেকে বলাৎকার করার চেষ্টা করলে সে অসুস্থ হয়ে বাড়ি আসে। বাসায় এসে খাবার খায়না, শুধু কান্নাকাটি করছিল ।
আমরা জানতে চাইলে সে বলে ওস্তাদজী এর আগেও দুই দিন আমাকে দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ চুষায়। শনিবার সকালেও পায়জামা খুলে খারাপ কাজ করে।
এব্যাপারে মুরাদনগর থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন – শিশু বলাৎকারের চেষ্টার ঘটনায় শিশুটির পিতা সোহেল মিয়া বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করছেন। অভিযুক্ত আসামী হাফেজ মনিরুল ইসলামকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।