ময়মনসিংহে অঘোষিত হরতাল, যেভাবে সমাবেশে আসছেন নেতাকর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ মাস আগে

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে ময়মনসিংহে চলছে অঘোষিত হরতাল। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কর্মমুখী মানুষদের ভোগান্তি চরমে। অসুস্থ ব্যক্তিরা হাসপাতালে যেতেও নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

দুপুর ২টায় শহরের পলিটেকনিক্যাল মাঠে শুরু হবে বিএনপির সমাবেশ। ইতিমধ্যে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে ময়মনসিংহের প্রবেশ পথগুলোতে পুলিশি ও আওয়ামী লীগে নেতাদের বাধার অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলছেন- গণপরিহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত কিংবা বিকল্প উপায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা শহরে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দিচ্ছেন। অনেককেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। তবে দূরদূরান্ত থেকে হেঁটে আসছেন, কেউ ভেঙে ভেঙে আসছেন, শহরের প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নানা অজুহাত দিয়ে ও পথ পরিবর্তন করে সমাবেশস্থলে পৌঁছাচ্ছেন।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা থেকে আসা আবুল হাসেম বলেন, সমাবেশে যোগ দিতে ভোররাতে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রওনা দেই।
বিজ্ঞাপন
বাস না থাকায় নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। বিভিন্ন বাহনে ভেঙে ভেঙে, আর কখনো পায়ে হেঁটে সমাবেশস্থলে পৌঁছাই। পথে কয়েক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করেছে। তবে আমরা তাদের বাধা অতিক্রম করে মিছিল নিয়ে শহরে পৌঁছাই।

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থেকে থেকে আসা নেতাকর্মীরা বলছেন, বাস না পেয়ে মাইক্রোবাস নিয়ে এসেছি। পথে কোন বাধা না পেলেও, ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পথ আটকিয়ে দিয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। তাদের হাতে লগি বৈঠা ছিলো। পরে সিএনজিতে করে বিকল্প পথে সমাবেশস্থলে আসি।

এদিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান মানবজমিনকে বলেন, সমাবেশে যাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আসতে না পারে সেজন্য বাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যেন কার্যত হরতাল চলছে। নেতাকর্মীদেরকে বাধা দেয়া হচ্ছে। তবুও নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। মানুষকে কোনভাবেই ঠেকাতে পারবে না। ঢাকা থেকে নেতাকর্মীরা যাতে না আসতে পারে তারজন্য ত্রিশালে একটি চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। ভ্যান থেকেও মানুষকে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমন কি সাধারণ মানুষও কারখানার শ্রমিকরাও কর্মস্থলে যেতে পাছেন না।