সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে চোখ ওঠা রোগ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। তবে চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত পুরুষের সংখ্যাই বেশি।

এদিকে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজারের ফর্মেসিগুলোতে চোখের ড্রপের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে চাহিদা মতো ড্রপ না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীরা। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাইরাসজনিত চোখ ওঠা রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে এ রোগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই চোখ ওঠা রোগ হানা দিয়েছে। প্রতিদিনই সরকারি হাসপাতাল, গ্রাম্য চিকিৎসক ও চক্ষু বিশেষজ্ঞদের কাছে চোখ ওঠা রোগীরা ভিড় করছেন। বাড়ির একজন সদস্য আক্রান্ত হলে পরিবারের প্রায় সব সদস্যই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সাধারণত চোখ লাল হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখে ময়লা হওয়া, চোখে ব্যথা অনুভব ও খচখচ করা, রোদে অস্বস্তি লাগা লক্ষণ নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। এ রোগে আক্রান্ত শিশুরা ৪-৫ দিনের মধ্যে ভালো হলেও বড়দের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে।

রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কেএইচএম ইফতেখারুল আলম খান বলেন, গত কয়েকদিন আগে চোখ ওঠা রোগীর সংখ্যা কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ রোগীর সংখ্যাই বেশি।

তিনি বলেন, আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি চোখ পরিষ্কার রাখা এবং সূর্যালোকে কালো রঙের চশমা ব্যবহারের পরামর্শসহ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ড্রপের কোনো সংকট নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।