সংবাদ শিরোনাম
রবিবার, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ১৩ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
করোনোভাইরাসে চীন গুরুতর পরিস্থিতির মুখোমুখি: শি জিনপিংকরোনাভাইরাস চীনের উহানে আটকা ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, দেশে ফেরার আকুতি১১ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীপ্রচ্ছদআজকের পত্রিকাদশ দিগন্তচীনে ভাইরাস শনাক্তে সেনা চিকিৎসক মোতায়েন চীনে ভাইরাস শনাক্তে সেনা চিকিৎসক মোতায়েন ১,৩০০ শয্যার আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণাকরোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি হটলাইনবুনো ফল খেয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী হাসপাতালেভারতসহ এশিয়া-ইউরোপের দেশগুলোতেও হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাসজাতির পিতার আদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়:অর্থমন্ত্রীকুবির সমাবর্তন ক্যাম্পাস সেজেছে বিয়ে বাড়ির সাজে!কুমিল্লায় দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এড.আহমেদ আলী আমার শিক্ষক ছিলেনকরোনা ভাইরাসে মারা যেতে পারে সাড়ে ছয় কোটি মানুষকরোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই বাদুড় খাচ্ছেন এই নারী! (ভিডিও)করোনা ভাইরাস আতঙ্কে চীনের ১৪ শহর ‘তালাবদ্ধ’ইঁদুর শূকরের মাংসেই বিপদকরোনাভাইরাস: দশ দিনেই হাসপাতাল গড়বে চীনগাঁজার রুটি বানিয়ে গ্রেফতার যুবকশেখ হাসিনার ১১ বছরে দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে – তাজুল ইসলামবিদেশি শিক্ষার্থী পড়ার মতো অবকাঠামো গড়ে উঠেনি কুবিতে ১৩ বছরে পড়েছে মাত্র ৪জন:বর্তমানে নেই ১জনওকুমিল্লায় আধুনিক যুগোপযোগী হবে শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লী জেলা প্রশাসককুমিল­ায় ভুয়া ডাক্তারকে সাজা, হাসপাতাল সিলগালা

‘হলিউড সিনেমা দেখে নিজের নামের সঙ্গে বন্ড যোগ করেন নয়ন’

বরগুনা সদরে রাস্তায় ফেলে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার মূল নায়ক সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তিনি ছিলেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি।

নয়নের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, নয়নের ঘরে সাদা দেয়ালে লাল রঙ দিয়ে এক জায়গায় লেখা ০০৭ (নয়নের সন্ত্রাসী গ্রুপের সাংকেতিক নাম)।

প্রসঙ্গত, ‘০০৭ লাইসেন্স’ একটি বিখ্যাত হলিউড সিনেমা সিরিজ। সিনেমার মৌলিক গল্প অনুযায়ী ০০৭ হচ্ছে মানুষ হত্যার লাইসেন্স। এতে যিনি নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন, তার নাম জেমস বন্ড।

এ বিষয়ে তার মা সাহিদা বেগম বলেন, নয়ন কেন তার নামের সঙ্গে বন্ড বা ০০৭ সেভেন লিখত তা আমি জানি না। সে বেঁচে থাকলে জিজ্ঞেস করতাম। কিন্তু তাকে তো মেরেই ফেলল। নয়নের মা আরও বলেন, নয়নকে মেরে ফেলল।

কিন্তু যারা তাকে বন্ড বানাল, তাদের কি কিছুই হবে না। যারা তাকে নয়ন থেকে নয়ন বন্ড বানিয়েছে, তাদেরও ধরা হোক। যাতে আর কোনো নয়ন বিপথগামী সন্ত্রাসী বা বন্ড না হতে পারে।

এদিকে নয়নের সঙ্গে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বিয়ে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তার মা। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই খুন হন মিন্নির স্বামী রিফাত শরীফ।

তবে নয়নের সঙ্গে মেয়ের বিয়ের বিষয়টি কোনোভাবেই মানতে চান না মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর।

সোমবার মোজাম্মেল হক কিশোর যুগান্তরকে বলেন, নয়নের সঙ্গে মিন্নির বিয়ের বিষয়টি সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ রিফাতের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে গোপনে দেয়া হয়নি।

রিফাতের বাবাও তো বলেননি আমার মেয়ের আগেই বিয়ে হয়েছে। তা ছাড়া আমি তো রিফাতের সঙ্গে মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাইনি। রিফাতের পরিবারই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। কারণ রিফাত ও মিন্নি একে অপরকে পছন্দ করত। আমি প্রথম দিকে এই বিয়েতে রাজি ছিলাম না।

মিন্নির বাবা আরও বলেন, আসলে মিন্নিকে জেলে ঢোকানোর জন্য সুনাম দেবনাথ (স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে) সর্বপ্রথম মিন্নির বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেন। নয়নের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে বলে তিনি ফেসবুকে লেখেন। মিন্নিকে তিনি বিতর্কিত করতে চান। এর কারণ হলো- মামলার এক নম্বর সাক্ষী মিন্নি। সে ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী।

সে যদি বাইরে থাকে, তবে রিফাত হত্যার আসামিদের সবার বিরুদ্ধে সে সাক্ষী দেবে। তা হলে বিচারে তাদের শাস্তি নিশ্চিত। তাই যাতে মিন্নি সাক্ষী না দিতে পারে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মিন্নিকে গ্রেফতার করে সরিয়ে দিলেই মামলা শেষ।

কারণ বিচার হয় সাক্ষীর ভিত্তিতে। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন, যারা রিফাতকে খুন করেছে তারা তো সবাই সুনাম দেবনাথের লোকজন। নয়ন বন্ড শম্ভুর লোক, এটি তো শহরের সবাই জানে।

প্রসঙ্গত বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ ছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিসহ এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *