বৃহস্পতিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
ছাত্রদলের সভাপতি খোকন, সম্পাদক শ্যামলছিঁচকে চুরি, সাগর চুরি আর পিনাটতত্ত্বএকান্ত সাক্ষাৎকার আধুনিক পৌরসভা গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়রহাজীগঞ্জে আমড়া খাওয়ার জন্য প্রাণ দিল আরফাকুমিল্লায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী-শ্বশুর গ্রেফতারবরুড়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণসভা‘বাংলাদেশের শত্রু বাংলাদেশই’সাকিবদের সামনে আফগান চ্যালেঞ্জআফগানিস্তান ম্যাচের আগে হঠাৎ দলে আবু হায়দারপ্রবাসীদের লাশ টাকার অভাবে বিদেশে পড়ে থাকবে না, লাশ আসবে সরকারি খরচে: অর্থমন্ত্রীকুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন- আয়তন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ৭ বছর ধরে ঝুলে আছে মন্ত্রনালয়েধর্ষণদৃশ্য দেখানোর অপরাধে টিভি চ্যানেলকে জরিমানাজোড়া লাগছে তাহসান-মিথিলার সংসার!মাহমুদউল্লাহদের ১৯৩ রানের টার্গেট দিলেন সাকিবরাবড় সংগ্রহের পথে ঢাকাজাজাইয়ের ব্যাক টু ব্যাক ঝড়ো ফিফটি, উড়ছে ঢাকাঢাকা বনাম খুলনার খেলা দেখুন সরাসরিটসে সাকিবকে হারালেন মাহমুদউল্লাহডিআরএস নিয়ে প্রশ্নঘুরে দাঁড়ানোর আশায় সিলেট

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা পেপারবুকের অপেক্ষায় রাষ্ট্রপক্ষ

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দুই মামলায় ৪৪ আসামির জেল আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে অপেক্ষমাণ রয়েছে। এরই মাঝে প্রায় সাত মাস সময় পার হলেও নিয়ম অনুসারে পেপারবুক প্রস্তুত না হওয়ায় এ মামলার শুনানি শুরু করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখার একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তার নেতৃত্বে দু’জন মুদ্রাক্ষরিক পেপারবুক টাইপের কাজ করছেন।

সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন; আহত হন কয়েকশ’ নেতাকর্মী। সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে শ্রবণশক্তির ক্ষতি হয় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

পরে ওই ঘটনায় হত্যা, হত্যা চেষ্টা, ষড়যন্ত্র ও এ ঘটনায় সহায়তাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি এবং বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

দীর্ঘ নাটকীয়তার পর ওই দুই মামলার ওপর ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় দেন ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া রায়ে তিন সাবেক আইজিপিসহ ১১ সরকারি কর্মকর্তার বিভিন্ন মেয়াদের লঘুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর এ মামলায় আসামিদের জেল আপিল ও ডেথ রেফারেন্স সংবলিত প্রায় ৩৭ হাজার তিনশ’ ৮৫ পৃষ্ঠার নথি অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। পরে গত ১৩ জানুয়ারি এ মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করে পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এরপর প্রায় আট মাস সময় অতিবাহিত হলেও মামলার পেপারবুক এখনও প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘পেপারবুক তৈরিতে কোনও নিয়ম নেই যে, আমরা তাগাদা দিতে পারি। তবে পেপারবুক তৈরি হলে আদালতের কাছে আমরা দ্রুত শুনানি শুরুর জন্য আবেদন করতে পারবো।’

এ মামলায় তারেক রহমানসহ কম সাজা পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যাদের সাজা কম বা বেশি (যাবজ্জীবন) তাদের বিষয়ে নির্দেশনা না আসায় আমাদের (অ্যাটর্নি জেনারেল) অফিস তাদের বিরুদ্ধে কোনও আপিল করেনি। এছাড়াও তারেক রহমানকে বিচারিক আদালত কোন যুক্তিতে মৃত্যুদণ্ড না দিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে, সেটা পেপারবুক না দেখে বলা সম্ভব না।’

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *