সংবাদ শিরোনাম
সোমবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
দেশে কোন বাক স্বাধীনতা নেই- হাজী ইয়াছিনক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি বুয়েট শিক্ষার্থীদেরফাহাদ হত্যায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতাদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল বুয়েটইস্কনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, এটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: লেখক ভট্টাচার্যআবরার হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রদলের দু’দিনের কর্মসূচি ঘোষণাবুয়েট ছাত্র ফাহাদের জীবনের শেষ অঙ্ক ফেসবুকে ভাইরালক্যাসিনো-দুর্নীতির শেষ দেখে ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রীঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁওয়ের বিশ্ব কারু’শিল্প শহরের মর্যাদা লাভপাপের ভারে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হবে: কর্নেল অলিওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন জয়নাল হাজারী৬ ঘণ্টা ধরে নির্যাতন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: আবরারের বাবাসম্রাটদের সঙ্গে শোভন-রাব্বানীরও গ্রেফতার চান মওদুদক্যাম্পাসে ছাত্রদল-শিবিরকে নির্যাতন সহ্য করা হবে না: ডাকসু ভিপিপারিবারিক কবরস্থানে চিরঘুমে আবরারআবরার হত্যার বিচার দাবিতে সকাল থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল বুয়েটকুষ্টিয়ায় নিজ এলাকায় ফাহাদের ২য় জানাজা সম্পন্নছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি আবরারকে সবচেয়ে বেশি মারধর করেন মদ্যপ অনিকফাহাদকে হত্যায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার ১০, সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ১১ : হত্যা মামলায় আসামি ১৯ * শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন * রক্তমাখা স্টাম্প, লাঠি, চাপাতি ও ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার * ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াই কালদেশের পক্ষে কথা বললে সে শিবির হবে, এটা কেমন কথা?হত্যা নয় অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু বলছে বুয়েট প্রশাসন

একান্ত সাক্ষাৎকার আধুনিক পৌরসভা গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার।। কুমিল্লা জেলার সর্বদক্ষিণে সীমান্ত ঘেঁষে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার অবস্থান। ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল পৌরসভারটির যাত্রা শুরু হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভাটির আয়তন ১৮.৩৩ বর্গকিমি.।

২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এনাম হোসেন পাটোয়ারীকে পরাজিত করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন। এই সাড়ে তিন বছরে তিনি উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন। তারপরও রয়ে গেছে কিছু সমস্যা। পৌরবাসীর জন্য বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। নেই শিশুদের জন্য কোনো পার্ক। পৌর এলাকার পুকুর-ডোবায় কচুরিপানায় ভর্তি। এসব জায়গা থেকে মশার উৎপত্তি হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য রয়েছে।

পৌর মেয়র হিসেবে নিজের সফলতা ও ব্যর্থতার কথা জানাতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেয়র মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মেয়রের দায়িত্ব নিয়ে জমি ক্রয় করে পৌর ভবন নির্মাণ করেছি। উপজেলা রোডের মাথায় দৃষ্টিনন্দন দোয়েল চত্বর নির্মাণ করেছি।

চৌদ্দগ্রাম বাজারের ভেতরের রাস্তা নির্মাণ করেছি। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডের ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণ এবং কিছু কিছু রাস্তা প্রশস্তের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। পৌর এলাকায় শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৫টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করেছি। আরও ২০টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা একটি আধুনিক শহরে রূপ নেবে।’

তিনি বলেন, ‘সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যে দুটি পাম্প বসানো হয়েছে। দুই-তিন মাসের মধ্যে পৌরবাসীকে সুপেয় পানি সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জৈব সার তৈরির প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে।’

পৌরবাসীর বিনোদনের জন্য পার্ক না থাকা প্রসঙ্গে মেয়র বলে, ‘পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে পার্কের কাজটিও শুরু করা যাবে।’

পৌরসভায় ঘুষ-দুর্নীতি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘পৌরভবন শতভাগ ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত। এখানে কোনো দুর্নীতি হয় না। ঘুষ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি কঠোর অবস্থানে রয়েছি।’

মাদকের সমস্যা পুরোপুরি দূর করতে না পারার কথা স্বীকার করে মেয়র বলেন, ‘চৌদ্দগ্রাম একটি সীমান্তবর্তী এলাকা। এখানে প্রতিনিয়ত মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়। প্রশাসনের তৎপরতা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক, সন্ত্রাস ও যৌন হয়রানিসহ অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করায় এসব অপরাধ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে পৌরসভা থেকে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং ইভটিজিংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।’

পুকুর-ডোবার কচুরিপানার বিস্তার ও মশার উপদ্রব সম্পর্কে মেয়র বলেন, ‘এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’

শিক্ষার মান ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত বসা হচ্ছে। এছাড়া যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্যসেবার মান খুবই নাজুক ছিল। হাসপাতাল ছিল, কিন্তু ডাক্তার থাকত না।

মানুষ চিকিৎসা নিতে এসে খুব কষ্ট পেত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার মাধ্যমে হাসপাতালে চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পেরেছি। এখন সাধারণ মানুষ অনায়াসে স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারছেন।’

মেয়র বলেন, ‘নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বেশির ভাগই বাস্তবায়ন করেছি। ছোটখাটো যেসব কাজ বাকি রয়েছে তা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শেষ করতে পারব বলে আশা করছি। তিনি বলেন, পৌরবাসীর সুখ-দুঃখে সার্বক্ষণিক পাশে ছিলাম বলেই জনগণ আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।’

আগামী পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হলে জনগণকে কী প্রতিশ্রুতি দেবেন- এই প্রশ্নের জবাবে মেয়র মিজানুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য পৌরবাসীর কাছে আমার একাধিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল- শিশুদের জন্য পার্ক নির্মাণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিু আয়ের মানুষদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা। রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য পৌর মার্কেটও নির্মাণ করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *