বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
রাতে এমপি শম্ভুর চেম্বারে মিন্নির আইনজীবীর বৈঠক নিয়ে তোলপাড়মিন্নির জামিন শুনানি ৩০ জুলাইমিন্নির জামিন চেয়ে ফের আবেদন‘আমরা অভ্যন্তরীণভাবে বলেছি, প্রিয়া ট্রাম্পের কাছে বলেছেন’প্রিয়া সাহার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : বীর বাহাদুরহিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার‘আমার পাঞ্জাবি খুলে নুসরাতের গায়ে পরিয়ে দেই’প্রধানমন্ত্রীর চোখে সফল অস্ত্রোপচারবুড়িচংয়ে সড়কে বেরিক্যাড দিয়ে ডাকাতিধর্ষণে সাত বছরের শিশু হাসপাতালে, যুবক আটককুমিল্লায় ৩ সহ¯্রাধিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নব্যাটিং-বোলিংয়ের চেয়ে ফিল্ডিং ব্যর্থতাই বেশি ভুগিয়েছে টাইগারদেরআইসিসির চোখেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ বাংলাদেশ!আমি নিশ্চিত নিয়ম বদলাবে : নিউজিল্যান্ড কোচবিশ্বকাপ জিতিয়ে নাইটহুড উপাধি পাচ্ছেন স্টোকস১০নং ডাইনিং স্ট্রিটে বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডবিশ্বকাপ খেলে কত পেলো চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, কত পেলো বাংলাদেশ!‘আমিই এখন সম্ভবত নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে ঘৃণিত বাবা’বিশ্বকাপ জিততে না পেরেও অন্যরকম এক উইলিয়ামসন!নিউজিল্যান্ডকে সহানুভূতি জানালেন বাটলারও

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছের গুঁড়ি বিক্রির ধুম

আখাউড়া (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহা ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মাংস কাটার জন্য দা, ছুরি, চাকুর পাশাপাশি গাছের গুঁড়ি কেনার ধুম পড়েছে। তাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় স’মিল ব্যবসায়ীরা তেতুল গাছ ১ফুট বা সোয়া ফুট টুকরো করে বিক্রি করছেন। ১৫০-৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গাছের গুঁড়ি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, এসমস্ত গুঁড়ি বানাতে প্রয়োজন তেতুল গাছ। মাংস রেখে বানাতে শক্ত গাছের গুঁড়ালি প্রয়োজন বলে তেতুল গাছের চাহিদা রয়েছে বেশি

কিন্ত এখন আর আগের মতো তেতুল গাছ পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত দামে ক্রয় করতে হয়। অপরদিকে কোরবানির পশু জবাই,মাংস টুকরা করতে প্রয়োজন ধারালো দা, ছুরি, চাকু। আর জন্য এসব যন্ত্রপাতি তৈরি,সান এবং মেরামত করতে কামাররাই এখন একমাত্র ভরসা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফিরে তাকানোর সময় নেই যেন তাদের।

স্থানীয় কামাররা জানায়,ঈদ ছাড়া অন্যান্য সময় কাজ তেমন থাকে না। পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া এ পেশা এখনো তারা তা ধরে রেখেছে বলে জানায়। এ শিল্পের প্রধান উপকরন কয়লা লোহা ও ইস্পাতের দাম দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। এক সময় ৪০-৪৫টাকায় ১বস্তা কয়লা পাওয়া যেত। এখন ১৮০-২০০টাকায় কিনতে হচ্ছে। ১৫ টাকার লোহা বেড়ে ৮০-৮৫ টাকা হয়েছে।

তাছাড়া শ্রমিকদের মজুরি ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা দিতে হচ্ছে। বছরজুড়ে এ শিল্পের মন্দাভাব থাকলেও প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কদর বাড়ে। তবে কাজ অনুযায়ী মজুরি পায় না বলে তারা জানায়।

তাছাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দা, ছুরি, চাকুর পাশাপাশি নানা যন্ত্রপাতির ভ্রাম্যমাণ দোকান গড়ে উঠেছে। ওই সমস্ত দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

পৌর এলাকার তারাগনের তারেক বলেন, মাংস রেখে বানাতে গাছের গুঁড়ির প্রয়োজন হয়। এটা ছাড়া খুবই কষ্ট হয়। তাই নারায়নপুর এলাকায় স’মিল থেকে ২শ টাকা দিয়ে একটি গাছের গুঁড়ালি কেনা হয়।

পৌর শহরের দেবগ্রামের ইদ্রিস মিয়া কোরবানির পশু জবাই করা,মাংস কাটা, ও চামড়া ছিলানোর জন্য ধারালো ছুরির প্রয়োজন। ঘরে থাকা দা,বটি,ছুরি মরিচিকা থাকায় সানায়ের জন্য নিয়ে এসেছি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *