সংবাদ শিরোনাম
সোমবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
বুড়িচংয়ের নিখোঁজের ৯ মাস পর প্রবাসীর লাশ মিললো হাসপাতালেটমেটো চাষে স্বপ্ন দেখে গোমতী পাড়ের শহিদশাহাজাদা প্রেসিডেন্ট টিপু সেক্রেটারি- এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লার নতুন কমিটি গঠিতকুমিল্লা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ভারতের ভিসা অফিস খোলার অনুরোধলাকসামে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীদের মারধর ও বাড়িতে হামলা লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগকুমিল্লা ৮ – বরুড়ায় হ য ব র ল আওয়ামীলীগ-মহাজোটতাইজুল ঘূর্ণিতে কুপোকাত ওয়েস্ট ইন্ডিজমুরাদনগরে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে মনোনয়ন না দিতে শেখ হাসিনার প্রতি আহবানমুরাদনগরে বিএনপিতে চার ভাইয়ের মনোনয়ন সংগ্রহচান্দিনায় আ’লীগ -এলডিপি’র সংঘর্ষ: আহত ৭ গ্রেফতার ১একি করলেন কুমিল্লা-৯ এর এমপি তাজুল ইসলাম !কুমিল্লা-৫ : আ’লীগ নেতা ব্যারিস্টার সোহরাবকে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণাদক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে কুমিল্লার যুবক নিহতকুমিল্লায় জাতীয় ছাত্র সমাজের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিতউদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে পিআইবির পরিচালক- নবীনদের প্রশিক্ষনের সুযোগ করে দিয়ে কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেকেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে -কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে শেষ শ্রদ্ধাএকাদশ সংসদ নির্বাচন : প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা এগিয়ে নেয়ার নির্দেশবিকল্প ধারা থেকে বি.চৌধুরী ,মান্নান ও মাহীকে বহিষ্কারকেমন আছে একসঙ্গে জন্ম নেয়া বুড়িচংয়ের ৪ নবজাতককুমিল্লার যুবদল নেতাকে ঢাকায় কুপিয়ে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছের গুঁড়ি বিক্রির ধুম

আখাউড়া (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহা ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মাংস কাটার জন্য দা, ছুরি, চাকুর পাশাপাশি গাছের গুঁড়ি কেনার ধুম পড়েছে। তাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় স’মিল ব্যবসায়ীরা তেতুল গাছ ১ফুট বা সোয়া ফুট টুকরো করে বিক্রি করছেন। ১৫০-৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গাছের গুঁড়ি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, এসমস্ত গুঁড়ি বানাতে প্রয়োজন তেতুল গাছ। মাংস রেখে বানাতে শক্ত গাছের গুঁড়ালি প্রয়োজন বলে তেতুল গাছের চাহিদা রয়েছে বেশি

কিন্ত এখন আর আগের মতো তেতুল গাছ পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত দামে ক্রয় করতে হয়। অপরদিকে কোরবানির পশু জবাই,মাংস টুকরা করতে প্রয়োজন ধারালো দা, ছুরি, চাকু। আর জন্য এসব যন্ত্রপাতি তৈরি,সান এবং মেরামত করতে কামাররাই এখন একমাত্র ভরসা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফিরে তাকানোর সময় নেই যেন তাদের।

স্থানীয় কামাররা জানায়,ঈদ ছাড়া অন্যান্য সময় কাজ তেমন থাকে না। পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া এ পেশা এখনো তারা তা ধরে রেখেছে বলে জানায়। এ শিল্পের প্রধান উপকরন কয়লা লোহা ও ইস্পাতের দাম দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। এক সময় ৪০-৪৫টাকায় ১বস্তা কয়লা পাওয়া যেত। এখন ১৮০-২০০টাকায় কিনতে হচ্ছে। ১৫ টাকার লোহা বেড়ে ৮০-৮৫ টাকা হয়েছে।

তাছাড়া শ্রমিকদের মজুরি ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা দিতে হচ্ছে। বছরজুড়ে এ শিল্পের মন্দাভাব থাকলেও প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কদর বাড়ে। তবে কাজ অনুযায়ী মজুরি পায় না বলে তারা জানায়।

তাছাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দা, ছুরি, চাকুর পাশাপাশি নানা যন্ত্রপাতির ভ্রাম্যমাণ দোকান গড়ে উঠেছে। ওই সমস্ত দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

পৌর এলাকার তারাগনের তারেক বলেন, মাংস রেখে বানাতে গাছের গুঁড়ির প্রয়োজন হয়। এটা ছাড়া খুবই কষ্ট হয়। তাই নারায়নপুর এলাকায় স’মিল থেকে ২শ টাকা দিয়ে একটি গাছের গুঁড়ালি কেনা হয়।

পৌর শহরের দেবগ্রামের ইদ্রিস মিয়া কোরবানির পশু জবাই করা,মাংস কাটা, ও চামড়া ছিলানোর জন্য ধারালো ছুরির প্রয়োজন। ঘরে থাকা দা,বটি,ছুরি মরিচিকা থাকায় সানায়ের জন্য নিয়ে এসেছি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *