সংবাদ শিরোনাম
বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
প্রথম গুজব দুবাই থেকে, সরকারবিরোধী সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশজনপ্রশাসন পদক পেলে কুমিল্লার সিভিল সার্জন‘হলিউড সিনেমা দেখে নিজের নামের সঙ্গে বন্ড যোগ করেন নয়ন’রহস্যঘেরা বিয়ে, নয়ন-মিন্নির সংসারের ২০ আলামত জব্দ ফরেনসিক পরীক্ষা হবে সিআইডিতে * হলিউডের বিখ্যাত সিনেমা ‘০০৭ লাইসেন্স’র নায়কের নামানুসারে নিজের নামের সঙ্গে ‘বন্ড’ যুক্ত করেন নয়ন, এরপর সিনেমাটির গল্পের আদলে গড়ে তোলেন সন্ত্রাসী বাহিনীরাতে এমপি শম্ভুর চেম্বারে মিন্নির আইনজীবীর বৈঠক নিয়ে তোলপাড়মিন্নির জামিন শুনানি ৩০ জুলাইমিন্নির জামিন চেয়ে ফের আবেদন‘আমরা অভ্যন্তরীণভাবে বলেছি, প্রিয়া ট্রাম্পের কাছে বলেছেন’প্রিয়া সাহার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : বীর বাহাদুরহিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার‘আমার পাঞ্জাবি খুলে নুসরাতের গায়ে পরিয়ে দেই’প্রধানমন্ত্রীর চোখে সফল অস্ত্রোপচারবুড়িচংয়ে সড়কে বেরিক্যাড দিয়ে ডাকাতিধর্ষণে সাত বছরের শিশু হাসপাতালে, যুবক আটককুমিল্লায় ৩ সহ¯্রাধিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নব্যাটিং-বোলিংয়ের চেয়ে ফিল্ডিং ব্যর্থতাই বেশি ভুগিয়েছে টাইগারদেরআইসিসির চোখেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ বাংলাদেশ!আমি নিশ্চিত নিয়ম বদলাবে : নিউজিল্যান্ড কোচবিশ্বকাপ জিতিয়ে নাইটহুড উপাধি পাচ্ছেন স্টোকস১০নং ডাইনিং স্ট্রিটে বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ড

মুরাদনগরন ব্রিজের ভেতর বাঁশের সাঁকো!

# চরম দুর্ভোগে১০ গ্রামের মানুষ
মুরাদনগর প্রতিনিধি।।


নির্মাণ কাজের ৫ বছর হয়েছে এখনো চালু হয়নি কুমিল্লার সর্ববৃহৎ উপজেলা মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর – গাজীপুর গ্রামের সংযোগ ব্রিজটি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রঘুরামপুরসহ আশে পাশের ১০ গ্রামের মানুষ।
উপজেলার রঘুরামপুর – গাজীপুর এলাকাবাসী বলেন, এই ব্রিজটি দিয়ে মির্জাপুর, সিঙ্গারিয়া,সোনারামপুর, কোদালকাটা, যাত্রাপুর, চৈয়নপুর, -গাজীপুর,পাঞ্জিরপারা , বৃষ্ণপুর,দীঘিরপাড় এই ১০টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের গ্রাম থেকে বের হবার কোন রাস্তা ছিলনা। রাস্তা না থাকায় শুকনো মৌসুমে জমিনের আইলে হেটে, আর বর্ষায় নৌকা করে যাতায়াত করতে হয়েছে। ২০০৮সালে আমরা গ্রামবাসী মিলে এই রাস্তাটি তৈরি করেছি। রাস্তা করার পর রঘুরামপুর থেকে গাজীপুর যাওয়ার জন্য একটি ব্রিজের প্রয়োজন হয়। এডিবির অর্থায়নে উপজেলা এলজিইডি থেকে ব্রিজটির বাস্তবায়ন করা হয়। ব্রিজের ঠিকাদার নাম মাত্র ৪টি খুটির উপর একটি ছাদের আস্তর দিয়ে যায়। এখনো ব্রিজের নীচে গিয়ে দাঁড়ালে দেখা যায় ব্রিজের ভীমের ভিতর রড়ের সাথে কাঠ ঝুলছে। ব্রিজটি করার পর এর দু-পাশে কোন সংযোগ সড়ক দেওয়া হয়নি। রাস্তা থেকে ব্রিজটি অনেক উপরে। এর দু-পাশে গোড়ায় কোন মাটি নেই। ব্রিজের দুপাশে মাটি না থাকায় ৫ বছরেও ব্রিজটি অত্র এলাকার জনগণের কোন কাজে আসেনি।
রঘুরামপুর গ্রামের কৃষক বাদশা মিয়া ও সমীর মৃধা বলেন, শুধু এই ব্রিজটির কারণে আমরা এখন অনেক কষ্টে আছি। জমিতে ফসল ফলানোর পর তা বিক্রির জন্য বাজারজাত করতে লেবার খরচ বেশী দিতে হয়। এক বস্তা খিরা রিক্সায় নিলে যেখানে ২০ টাকা দিলে চলত, সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে মেইন রোডে নিতে হয়। সকল ধরনের কৃষিপণ্য আনা নেওয়ায় খরচ বেশী পড়ায় আমরা বেশ ক্ষতির মধ্যে আছি।
উচ্চমাধ্যমিকের ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী সজিব মৃধা, নাদিয়া আক্তার, জসিম উদ্দিন,আল-আমিন জানান, এই ব্রিজটির কারণে কলেজে আসা যাওয়ায় আমাদের বিরাট সমস্যা হচ্ছে। এটি আমাদের কোন কাজে আসেনি। ব্রিজের নীচে আরো একটি ব্রিজ নির্মাণ করে আমরা পারাপার হচ্ছি। আর বর্ষা এলে নৌকা করে ঁঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বাঁশের এই সাঁকো থেকে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
সাবেক মেম্বার ফারুক হোসেন বলেন , এই রাস্তাটি দিয়ে আসে পাশের দশ গ্রামের মানুষের চলাফেরা করে। ব্রিজটি চলাচলে অনুপোযুক্ত হওয়ায় এই রোডে কোন রিক্সা ,গাড়ী চলে না। যাতায়াত ব্যাবস্থার কারণে ভাল কোন বিয়ে সাদী আসে না। ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা থেকে দিন দিন দূরে চলে যাচ্ছে। কৃষকরা কৃষি কাজে উৎসাহ হারাচ্ছে। আমাদের প্রাণের দাবি এই ব্রিজটি যেন চলাচলের উপযুক্ত করে দেওয়া হয়।
যাত্রাপুর ৩নং ওয়ার্ডের জহিরুল হক খোকন মেম্বার বলেন, রঘুরামপুর থেকে বের হতে এই ব্রিজটির গুরুত্ব অনেক। ব্রিজটির ব্যাপারে আমি এমপি মহোদয়কে বেশ কয়েকবার অবহিত করেছি। কোন কাজে আসেনি। আমি মেম্বার হওয়ার পর এই ব্রিজটির কারণে জনগণের অনেক গালমন্দ শুনে আসছি। বাশেঁর সাকো দিয়ে রাখতে পারিনা । কিছু দিন পর কারা যেন চুরি করে সাকোর বাঁশ নিয়ে যায়। ব্রিজটি চলাচলের পরিবেশ তৈরি হলে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।
এই বিষয়ে কুমিল্লা-৩(মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য ইউছুফ আবদুল্লাহ হারুনের সাথে কথা বলার জন্য তাকে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    11
    Shares
  • 11
    Shares



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *