শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২০ ইং | ২০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
কুমিল্লায় অবস্থা বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে-জেলা প্রশাসনআখাউড়ায় ছাএীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগসীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আচমকা লাদাখে মোদিকরোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর মিছিলে ৩৮ জনশুটিংয়ে ফিরেই নাখোশ অমিতাভ রেজা!ফাইনাল বিক্রির’ তদন্তে এবার সাঙ্গাকারাকে ডাকলো পুলিশবাংলাদেশে আবিষ্কার করোনার টিকা ৬ মাসের মধ্যে বাজারে আসছে!ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এমপি পাপুলকুমিল্লা মেডিক্যালে করোনা উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যুবাংলাদেশে প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবিসীমান্তে শক্তি বাড়াচ্ছে চীন, দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি ভারতেরওকরোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ৪১ জনফেনী সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ৩ জনের মৃত্যুট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান আর নেইস্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরানোর দাবি সংসদেমাদককে কেন্দ্রে করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পথচারী নিহতনোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,কুমিল্লার রেড জোনে কমছে আক্রান্তের সংখ্যা৮ বছরে ‘রেকর্ড’ স্বর্ণের দামইংল্যান্ডে করোনা টেস্ট করে কোয়ারেন্টাইনে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

শেখ হাসিনা চাইলে ফেনীর রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন জয়নাল হাজারী

ফেনীর এক সময়ের বহুল আলোচিত-সমালোচিত আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল হাজারী দীর্ঘ বিরতির পর উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন। তিনি রাজনীতি ছেড়েই দিয়েছিলেন। তাহলে আবার কেন তিনি ফিরে এলেন? আওয়ামী রাজনীতিতে তার এখন প্রয়োজনীয়তা কী?

জয়নাল হাজারী ফেনী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংসদ সদস্য ছিলেন তিন বার। ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ফেনীর মাস্টার পাড়ায় তার বাড়িতে অভিযান হয়। তখন তিনি গ্রেফতার এড়িয়ে ভারতে পালিয়ে যান।

২০০৪ সালে তিনি আত্মগোপনে থাকা অবস্থায়ই আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশে ফিরে আসেন। এরপর আদালতে আত্মসমর্পণের পর কিছুদিন কারাগারে থেকে জামিনে ছাড়া পান। কিন্তু তিনি আর রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত হননি।

উপদেষ্টার দায়িত্ব কী? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমনিতে উপদেষ্টার দায়িত্ব উপদেশ দেয়া। কিন্তু এই উপদেশ কে শোনে! এটা একটি অলঙ্কারিক পদ। কোনো দায় দায়িত্ব নেই। যারা নির্যাতিত, যারা মুক্তিযোদ্ধা যাদের অবদান আছে তাদের এই পদ দেয়া দিয়ে সম্মানিত করা হয়। আমাকেও নেত্রী দিয়েছেন।’

হাজারীর বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দল এমন কি নিজ দলের নেতাকর্মীদেরও নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আছে। তার এই নির্যাতন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খবর পরিবেশন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেককে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সর্বশেষ সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি ও তার বাহিনীর নির্যাতনের কথা সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ হয়। তিনি আওয়ামী লীগের বাইরে ‘স্টিয়ারিং কমিটি’ নামে একটি নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে সন্ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ।

তবে হাজারীর দাবি, ‘স্টিয়ারিং কমিটি মানুষের জন্য কাজ করেছে। তারা ভালো কাজ করেছে। আমার প্রধান শত্রু জামায়াত-শিবির। তাদের সঙ্গে লড়াই করে আমাকে বাঁচতে হয়েছে। তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। এর বাইরে আমার আর কিছু জানা নেই। যারা আমাকে বিতর্কিত বলে তারাই বলতে পারবে কেন বলে।’

জয়নাল হাজারী মনে করেন, ফেনীর সব কিছু এখন নষ্ট হয়ে গেছে। খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু তার এখন আর তেমন কোনো শক্তি নেই যে তিনি ফেনী ফিরে গিয়ে সব কিছু ঠিক করে ফেলবেন। তিনি ফেনীতে ফিরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো নেননি। তবে যদি শেখ হাসিনা বলেন তাহলে তিনি ফিরে যাবেন, সক্রিয় হবেন। এমনকি তিনি চাইলে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনও করবেন।

নির্বাচন করলে আপনি কী ভোট পাবেন? আপনার কি জনপ্রিয়তা আছে? জবাবে হাজারী বলেন, ‘না আমার এখন কোনো জনপ্রিয়তা বলতে কিছু নেই। আমার জনপ্রিয়তা শূণ্যের কোঠায় চলে গেছে। আমার মনে হয় আমি একটি ভোটও পাব না। আমার শরীরের অবস্থাও ভালো না যে আবার মাঠে নামব।’

তারপও যদি মনোনয়ন পান, তাহলে কী হবে? হাজারী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে জনপ্রিয়তা লাগবে না। আওয়ামী লীগের লোকেরাই ভোট দিয়ে দেবে।’

এক সময়ে ফেনীর গডফাদার বলে পরিচিত জয়নাল হাজারী তবে এখন নিজের সিদ্ধান্তে কিছুই করবেন না। তারা কথা, ‘নেত্রীর সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।’

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *