রবিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
ঢাকায় ৮ তলার ওপর ভবন অনুমোদন না দেয়ার পরিকল্পনামাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমায় গাঁজা : গবেষণাজন্ম থেকেই ব্যাটম্যান!পাকিস্তানে মসজিদ থেকে লাখ টাকা দামের জুতা চুরি!ক্ষুধার জ্বালায় মাটি খেত শ্রীদেবীর ৬ সন্তান, এগিয়ে এল সরকারসুদানের ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩উষ্ণতম বছরের তালিকায় এক নম্বর ২০১৯চার্জে রেখে মোবাইল ব্যবহারের সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুশক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিলিবিশ্বের সবচেয়ে বড় রক্তাক্ত উৎসব নেপালের গাধিমাইভারত হিন্দু রাষ্ট্র!অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলজলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ৭ম বাংলাদেশবিয়ের আগে যৌন মিলন, বেত্রাঘাতে জ্ঞান হারালেন যুবকভারতে অনলাইনে ওষুধ বিক্রি বন্ধে আদালতের নির্দেশদিল্লিতে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৫মহাসাগরে বিপদ : দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে অক্সিজেন বাড়ছে তাপমাত্রাকুমিল্লায় বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে ৫ সন্তানের জননী নিহতআজ কুমিল্লা মুক্ত দিবসশাসন শোষণ নীপিড়ন থেকে মুক্তি চায় ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা

১০ বছরে গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত ৫০০

দেশে গ্যাস বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ও এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ১০ বছরে সারা দেশে গ্যাস বিস্ফোরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৫০০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার।

গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনা চলতি বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সারা দেশে জানুয়ারি থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত গ্যাস বিস্ফোরণ সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন শতাধিক। আহত হয়েছেন কমপক্ষে দু’শ জন।

এর মধ্যে বছরের শুরুতে রাজধানীর পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারান ৮১ জন।

ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজন, এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণে দু’জন, অক্টোবরে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে বেলুন বিক্রির সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত শিশু ও মানিকগঞ্জে একই পরিবারের তিনজন নিহত হন।

সর্বশেষ রোববার চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় নিহত হয়েছেন সাতজন।

বিস্ফোরক পরিদফতর বলছে, গত ১০ বছরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ সংক্রান্ত ৯ শতাধিক দুর্ঘটনায় দেড় হাজার লোক হতাহত হয়েছেন। বছরে গড়ে ৫-৬টি বড় ধরনের গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বছরে গড়ে নিহত হন ৫০-৬০ জন। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে গ্যাস দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে ১৫৬টি। ২০১৬ সালে গ্যাসজনিত দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৬-এ। ২০১৭ সালে প্রায় ১৫০টি।

তবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে গ্যাসের চুলা থেকে সৃষ্ট দুর্ঘটনার সংখ্যা ২৩৮টি, আর গ্যাস লিকেজের জন্য ঘটেছে ৫ হাজার ৬৫০টি দুর্ঘটনা।

২০১৮ সালে ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অবশ্য তিতাসের পরিসংখ্যানকে সমর্থন করে। ফায়ার সার্ভিস বলছে, গত বছর চুলার আগুন থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৪৪৯টি।

অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াদের তথ্য ফায়ার সার্ভিসের কাছে না থাকায় হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি তারা।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সূত্র জানায়, সারা দেশ থেকে গড়ে প্রতি মাসে ৫০০ জন আগুনে পোড়া রোগী ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন এক-পঞ্চমাংশ রোগী।

ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই গ্যাসের আগুনে দগ্ধ। দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাচ্ছেন অনেক দগ্ধ রোগী।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *