সংবাদ শিরোনাম
সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৯শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে ১৩ কেজি গাঁজা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী অাটককরোনাকালিন সময়েএমপিওভুক্তি না হওয়ায় বেসরকারি কলেজের অনার্স -মাস্টার্স শিক্ষকদের মানবেতর জীবনকুমিল­া জুড়ে করোনা – নতুন আক্রান্ত ৬৩ : জেলায় বেড়ে দাঁড়াল ৪,৪৭৪ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কের পাশে খালে যাএীবাহী বাস, আহত ১০এমপিওভুক্তি না হওয়ায় বেসরকারি কলেজের অনার্স -মাস্টার্স শিক্ষকদের মানবেতর জীবন যাপনকরোনায় বন্ধ ২৭৫ স্থানীয় সংবাদপত্র: বিআইজেএনকরোনাকালীন কুবি শিক্ষার্থীদের ৪০ শতাংশ মেস ভাড়া মওকুফব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনায় আক্রান্ত দেড় হাজার ছাড়ালো১৯ হাজার ইয়াবাসহ হানিফ বাসের চালক আটকবাঞ্ছারামপুরে দুই পুলিশ সদস্যসের উপর হামলা, গ্রেফতার ২অতিথি কলাম : আমার করোনা জয়ের গল্প – এ,বি,এম মোস্তাফিজুর রহমানঅতথিি কলাম -১ কুমিল্লার সাবেক এডিসি মো: আমিনুল ইসলামকে স্মরণ – মাসুদা তোফাফেনীতে জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যুনোয়াখালীতে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি নিহতদেবিদ্বারে সিএনজিতে ট্রাকের ধাক্কা, দুই যাত্রী নিহতশীঘ্রই চালু হচ্ছে মুন্সিরহাট কনকপুর ব্রিজের নির্মাণকরোনায় মৃত্যুর তালিকায় আরও ৩৭ জনকুমিল্লায় প্রবাসী হত্যা মামলায় পিতা ও পুত্র আটকসংঘবদ্ধ ধর্ষণের সংবাদ প্রকাশ করায়’ দুই সাংবাদিককে মারধর

১০ বছরে গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত ৫০০

দেশে গ্যাস বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ও এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ১০ বছরে সারা দেশে গ্যাস বিস্ফোরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৫০০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার।

গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনা চলতি বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সারা দেশে জানুয়ারি থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত গ্যাস বিস্ফোরণ সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন শতাধিক। আহত হয়েছেন কমপক্ষে দু’শ জন।

এর মধ্যে বছরের শুরুতে রাজধানীর পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারান ৮১ জন।

ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজন, এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণে দু’জন, অক্টোবরে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে বেলুন বিক্রির সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত শিশু ও মানিকগঞ্জে একই পরিবারের তিনজন নিহত হন।

সর্বশেষ রোববার চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় নিহত হয়েছেন সাতজন।

বিস্ফোরক পরিদফতর বলছে, গত ১০ বছরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ সংক্রান্ত ৯ শতাধিক দুর্ঘটনায় দেড় হাজার লোক হতাহত হয়েছেন। বছরে গড়ে ৫-৬টি বড় ধরনের গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বছরে গড়ে নিহত হন ৫০-৬০ জন। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে গ্যাস দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে ১৫৬টি। ২০১৬ সালে গ্যাসজনিত দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৬-এ। ২০১৭ সালে প্রায় ১৫০টি।

তবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে গ্যাসের চুলা থেকে সৃষ্ট দুর্ঘটনার সংখ্যা ২৩৮টি, আর গ্যাস লিকেজের জন্য ঘটেছে ৫ হাজার ৬৫০টি দুর্ঘটনা।

২০১৮ সালে ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অবশ্য তিতাসের পরিসংখ্যানকে সমর্থন করে। ফায়ার সার্ভিস বলছে, গত বছর চুলার আগুন থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৪৪৯টি।

অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াদের তথ্য ফায়ার সার্ভিসের কাছে না থাকায় হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি তারা।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সূত্র জানায়, সারা দেশ থেকে গড়ে প্রতি মাসে ৫০০ জন আগুনে পোড়া রোগী ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন এক-পঞ্চমাংশ রোগী।

ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই গ্যাসের আগুনে দগ্ধ। দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাচ্ছেন অনেক দগ্ধ রোগী।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *