বৃহস্পতিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
ছাত্রদলের সভাপতি খোকন, সম্পাদক শ্যামলছিঁচকে চুরি, সাগর চুরি আর পিনাটতত্ত্বএকান্ত সাক্ষাৎকার আধুনিক পৌরসভা গড়তে কাজ করে যাচ্ছি: চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়রহাজীগঞ্জে আমড়া খাওয়ার জন্য প্রাণ দিল আরফাকুমিল্লায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী-শ্বশুর গ্রেফতারবরুড়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণসভা‘বাংলাদেশের শত্রু বাংলাদেশই’সাকিবদের সামনে আফগান চ্যালেঞ্জআফগানিস্তান ম্যাচের আগে হঠাৎ দলে আবু হায়দারপ্রবাসীদের লাশ টাকার অভাবে বিদেশে পড়ে থাকবে না, লাশ আসবে সরকারি খরচে: অর্থমন্ত্রীকুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন- আয়তন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ৭ বছর ধরে ঝুলে আছে মন্ত্রনালয়েধর্ষণদৃশ্য দেখানোর অপরাধে টিভি চ্যানেলকে জরিমানাজোড়া লাগছে তাহসান-মিথিলার সংসার!মাহমুদউল্লাহদের ১৯৩ রানের টার্গেট দিলেন সাকিবরাবড় সংগ্রহের পথে ঢাকাজাজাইয়ের ব্যাক টু ব্যাক ঝড়ো ফিফটি, উড়ছে ঢাকাঢাকা বনাম খুলনার খেলা দেখুন সরাসরিটসে সাকিবকে হারালেন মাহমুদউল্লাহডিআরএস নিয়ে প্রশ্নঘুরে দাঁড়ানোর আশায় সিলেট

কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ছাড়লো না কুবির সান্ধ্যকালীন বাস

কুবি প্রতিনিধিঃ

১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাড়িয়ে আছে বাসের অপেক্ষায়। কখন ছাড়বে বাস? হয়তো পথেও অপেক্ষা করছে শিক্ষার্থীরা। কেও কেও শহরে যাবে সারাদিন শেষে আবার কেওবা যাবে টিউশনিতে। সবারই কোন না কোন কাজ রয়েছে শহরে। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটা পার হলেও ছাড়ছে না বাস। কিন্তু কেন? তেমন কোন কারন খুঁজে পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। হুম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এমনই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা তাদের সান্ধ্যকালীন বাসের জন্য।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন কমিটির এমন গাফিলতির কারনেই বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যায়নি সান্ধ্যকালীন বাস এমনটাই অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃষ্টি হয় চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বন্ধের দিন ব্যতীত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টায় ক্যাম্পাস থেকে শহরে একটি বাস ছেড়ে যায় এবং রাত সাড়ে ৮ টায় বাসটি শহর থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের উদ্দেশ্যে কোন বাস ছেড়ে না যাওয়ায় শহরমুখী শিক্ষার্থীরা বিপদে পড়ে যায়। তাছাড়া শহরে বাসের জন্য অপেক্ষমান শিক্ষার্থীরাও বাস না পেয়ে টাকা খরচ করে সিএনজিতে করে ক্যাম্পাসে আসে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী খোরশেদ আলম বলেন,‘আমরা সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাজ শেষ করে বাসের জন্য অপেক্ষা করে বসে আছি। কিন্তু এখন শুনি বাস নেই। এখন অনেক কষ্ট করে টাকা খরচ করে শহরে যেতে হচ্ছে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন,‘আমদের বাস নিয়মিত চলাচল করবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। কিন্তু হুট হাট করে প্রশাসন এভাবে বাস বন্ধ করে দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে কি লাভ পাচ্ছে? শিক্ষক কর্মকর্তাদের বাস খালি নিয়েও চলাচল করতে পারে কিন্তু মাঝে মাঝে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম দেখলেই প্রশাসন বাস বন্ধ করে দেয়। আমরা এর সমাধান চাই।’
বাস না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও সমালোচনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মেহেদী হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফেইসবুক গ্রুপে তার স্ট্যাটাসে বলেন,‘২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী বাসের জন্য অপেক্ষা করে বাস পায়নি। ধিক্কার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন কেন সান্ধ্যকালীন বাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে কেন বাস ছাড়া হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে সান্ধ্যকালীন বাসের চালক সুজন বলেন,‘বাস ছাড়ার সময় মাত্র একজন শিক্ষার্থী ছিল। তাই পরিবহন কমিটির সভাপতির নির্দেশে বাস বন্ধ রেখেছি।’
কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঐ সময়ে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী বাসের জন্য অপেক্ষা করলেও তাদের খামখেয়ালীর কারনে বাসটি ছাড়েনি।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পরিবহন কমিটির দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন,‘ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী কম থাকার কারণে আজকে বাস ছেড়ে যায়নি। আগামী রবিবার থেকে বাস নিয়মিত চলবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন কমিটির প্রধান স্বপন চন্দ্র মজুমদার বলেন,‘বাসের চালক ফোন করে একজন শিক্ষার্থী আছে এমনটা বলায় আমি বাস ছাড়তে নিষেধ করি। তবে বেশি শিক্ষার্থী থাকার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পরিবহনের ক্ষতি হবে ভেবেই বাসটি বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে এমনটা হবে না।’

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *