সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২০শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
দাউদকান্দিতে গাড়ি চাপায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহতসন্ত্রাসী হামলায় কুমিল্লায় এমপি সীমার বডিগার্ড আহতদেশে নতুন করে আরো দুই জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ৫৬করোনার কারণে স্বপ্ন দেখাও বারণ: নেপাল এসএ গেমসে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণজয়ী তায়কোয়ান্ডোকা দিপু চাকমাস্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা পোশাক নিশ্চিতের দাবি অলিরকসবায় আইয়ুব- ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৭০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণচান্দিনায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে হামলা; বসত ঘর সহ ১০টি ঘর ভাঙচুর ২৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি: আহত ৪করোনায় মৃত ব্যক্তির শরীরে কতক্ষণ ভাইরাস থাকতে পারে?রেল-বাস পর্যায়ক্রমে চালু হবেযথাযথভাবে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব: নিয়ম ভাঙার হিড়িক, বাড়ছে শঙ্কাতিন চিকিৎসক সন্তানকে ডা.লতিফ- এর চেয়ে বড় মহামারিতেও তোমরা ঘরে যেও নাকরোনা পরিস্থিতি: কুমিল্লায় বাড়ি ভাড়া মওকুফ চান ভাড়াটিয়ারাকরোনায় অসহায়-গরিবদের মাঝে সশস্ত্রবাহিনীর ভ্রাম্যমান চিকিৎসাসেবাকুমিল্লায় সাড়ে পাঁচশো পরিবহন শ্রমিকের মাঝে চাল বিরতণপিপিই সুরক্ষা সরঞ্জাম নেই কুমিল্লার সুপার শপগুলোতে!সরকারি ২৬ বস্তা চালসহ আ. লীগ নেতা আটকহাসপাতাল কর্মচারীদের সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এমপি বাহারহাসপাতাল কর্মচারীদের সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এমপি বাহারকরোনাভাইরাসে অর্থনীতির মন্দাভাব ও আমাদের করণীয়করোনা প্রতিরোধে – কুমিল­ায় সেনাবাহিনীর সচেতনতামূলক ভিডিও প্রচার

প্রলয়ংকরী সুনামিতেও অক্ষত ছিল রহমতউল্লাহ মসজিদ

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ায় হয়েছিল প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সুনামি। দেশটির আচেহ প্রদেশকে একেবারে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল। তবে ভয়ংকর ওই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে সেখানকার সমুদ্র তীরবর্তী রহমতউল্লাহ মসজিদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

বর্তমানে মসজিদটি একই স্থানে অবিকল অক্ষত অবস্থায় বিদ্যমান। প্রতিদিনেই ধ্বনিত হয় আজানের ধ্বনি। স্থানীয় ও দর্শনার্থী মুসল্লিরা রহমতউল্লাহ মসজিদে এখনো আগের মতোই নামাজ আদায় করেন।

রহমতউল্লাহ মসজিদের ইমাম সুলাইমান মুহাম্মাদ আমিন (৬৮) সে দিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ভয়াবহ সুনামিতে ৯.৩ মাত্রার মারাত্মক ভূমিকম্প আঘাত হানে। তখন মসজিদের পাশে একটি অনুষ্ঠান চলছি। বহু মানুষ সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। বোমা বিস্ফোরণের মতো বিকট আওয়াজে সুনামিযজ্ঞ ঘটে। সে সময় মনে হয়েছিল কেউ অনেক বড় কোনো বোমা হামলা চালাচ্ছে।

ইমাম মুহাম্মাদ আমিন বলেন, বিকট আওয়াজ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আঘাতহানে সুনামি। ৩০ মিটার উচ্চতার সুনামির আঘাতে আচেহ প্রদেশের এ মসজিদ এলাকার আশেপাশে সব ঘর, বসতবাড়ি, ভবন ও বনাঞ্চল একেবারে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়।

তিনি আরো বলেন, আচেহ প্রদেশের সমুদ্র তীরবর্তী স্থানে রহমতউল্লাহ মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদের সুউচ্চ মিনার ও গম্বুজের চেয়েও উচু ছিল সুনামির ঢেউ।

মুহাম্মাদ আমিন বলেন, সমুদ্র তীরবর্তী কোনো স্থাপনাই  সুনামির ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়নি। কিন্তু মসজিদ এলাকায় গিয়ে দেখি শুধু মসজিদটিই অক্ষত ও ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া আগের মতোই টিকে আছে। সুনামিতে রহমতউল্লাহ মসজিদের কোনো ক্ষতিই হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *