শনিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং | ৯ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
কিশোর গ্যাং: ‘বড়ভাইদের’ হাত ধরে বিপথগামী কিশোররা বরগুনায় আর নতুন গ্যাং তৈরির সুযোগ হবে না -এসপি মারুফ হোসেনইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ উদ্বোধন রাশিয়ায়আমাজন পোড়ার নেপথ্যে সোনা?জ্বলছে পৃথিবীর ফুসফুস, কেমন ঝুঁকির মুখে বিশ্ববিপর্যয়ে পৃথিবীর ‘ফুসফুস’পুড়ে ছাই আমাজনে সেনা মোতায়েনপুড়ে ছাই হচ্ছে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’পরিবেশ রক্ষার্থে একদিন পর পর মলত্যাগের পরামর্শ২০ বছরে ২০ লাখ গাছ লাগিয়ে মরুভূমিকে অরণ্য বানালেন এই দম্পতিঅবিশ্বাস্য! টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে সেঞ্চুরি, পরে ৪ ওভারে ৮ উইকেটক্রিকেটার শ্রীশান্তের বাড়িতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা স্ত্রীরকুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই শিক্ষার্থী নিহত সেতুকে বাঁচাতে গিয়ে কাটা পড়ে আদিত্যকুমিল্লায় সেরা বাগানীদেরকে সম্মাননাকুবির ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে টিকটিকি!রিফাত হত্যা মামলার চার্জশিট ৩ সেপ্টেম্বরমিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না: হাইকোর্টমিন্নির জামিন শুনানি ফের উঠছে হাইকোর্টেমিন্নির জবানবন্দির বিষয়ে জানতে চান হাইকোর্টহাইকোর্টের আরেক বেঞ্চে মিন্নির জামিন শুনানি আজকুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রেমিক-প্রেমিকা নিহত

নাঙ্গলকোটে আনসারদের ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি ।।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদরদক্ষিন, লালমাই) আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাঙ্গলকোটের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে গ্রুপ লিডার ফজলুল হকের বিরুদ্ধে। ফজলুল হক ১শ ৫৬জন আনসার সদস্যদের কাছ থেকে প্রতিজন ৪ হাজার ৫শ ৫৭ টাকার বিপরীতে প্রতিজন থেকে ২ হাজার টাকা থেকে ২হাজার ৫শ টাকা পর্যন্ত আদায় করে প্রায় কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা ১০ (নাঙ্গলকোট, সদরদক্ষিন ও লালমাই) আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলায় ১ হাজার ৮০জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আনসার-ভিডিপির প্লাটুন কমান্ডার ও সহকারী প্লাটুন কমান্ডার ৫ হাজার ৭ টাকা ও সদস্যের প্রত্যেকে ৪ হাজার ৫শ ৫৭ টাকা করে ভাতা পাওয়ার কথা ছিল। ৩ জানুয়ারী ও ৬ জানুয়ারী উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয় থেকে তাদের দায়িত্ব পালনের এ ভাতা প্রদান করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভাতার টাকা নিয়ে উপজেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রুফ ডিলার ও আনসার-ভিডিপি কার্যালয়ের লোকজন প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৫শ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেন।
উপজেলার ভাতড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বটতলী ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা আনসার মতিন, নুরুল ইসলাম, ইকবাল, আবু বক্কর, ছগির, হাছান, তুহিন, ছকিনা, জাহানারা, খোশনেহারা, জমিলা, অভিযোগ করে বলেন ৬ জানুয়ারী উপজেলায় ভাতার টাকা বিতরণের খবর জানার পর আমার টাকার জন্য গেলে গ্রুপ লিডার ফজলুল হক তার নিজস্ব লোকদের লাইনে দাঁড়াতে বলেন এবং আনসার-ভিডিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা আমাদের ভাতার টাকা গুলো গ্রুপ লিডার ফজলুল হক ও তার ছেলে আফজলের কাছে দিয়ে দেন। ফজলুল হকের প্রতি গ্রুপে ১২জন করে মোট ১শ ৫৬ জন দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে, গত ১৩ জানুয়ারি উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের পেড়িয়া গ্রামের ১২ জন আনসার সদস্যরা এক টাকাও পাননি বলে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে আনসার সদস্য মতিন জানান, গত ৬জানুয়ারী আমাদেরকে ভাতা টাকা দেওয়ার জন্য নাঙ্গলকোট আনসার-ভিডিপি কার্যালয়ে ডাকা হয়। কিন্তু আমাদেরকে ভাতার টাকা না দিয়ে গ্রুপ লিডার ফজলুল হকের ছেলে আফজল এবং তার আত্মীয় মোজাম্মেল ভাতার টাকা নিয়ে যায়। গত সাত দিনেও আমরা ভাতার টাকা পাইনি। গতকাল সোমবার পেড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের মধ্যস্থতায় আমাদের প্রত্যেককে ৪হাজার ৫শ ৫৭ টাকার পরিবর্তে প্রতিজনকে মাত্র ২হাজার টাকা করে দেয়া হয় এবং এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে সোমবার নাঙ্গলকোট উপজেলা আনাসার-ভিডিপির কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন জানান, আনসার সদস্যদের ভাতার টাকা আমাদের অফিস থেকে দেয়া হয়। এতে কিছু সমস্যা হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। অভিযুক্ত গ্রুপ লিডার ফজলুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত ফজলুল হক জানান, টাকা সঠিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares
  • 3
    Shares



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *