বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
কুভিক শিক্ষার্থীর উপর সন্ত্রাসী হামলার কলেজ প্রশাসনের নিন্দাকুমিল্লায় স্বস্তির বৃষ্টিতে দুর্ভোগ !নদী দিবসে গোমতীর পাড়ে বাপা নেতৃবৃন্দ দখলদার ও পরিবেশ দূষণকারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব নির্বাচনে জামি সভাপতি, বিজন সাধারণ সম্পাদককরোনায় নিয়মিত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন সনোলজিস্ট ডা. মল্লিকা বিশ্বাসএফডিএ- এর অনুমোদন পেল বেক্সিমকোর ৮ম ওষুধদুই পরিবারের ২০ জনকে অচেতন করে মালামাল লুটবান্ধবীর সন্তান অপহরণ করে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূদেশে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাসএসএইচসি কবে, জানা যাবে বৃহস্পতিবারএক বছর ধরে বানানো ড্রাইভার মালেকের ‘আদুরে’ দরজার দাম কত?আরো অনেক মালেক রয়েছে: স্বাস্থ্য সচিববরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্যের সেই ড্রাইভার আব্দুল মালেক‘ডিজি নয়, স্বাস্থ্যের ড্রাইভার হয়ে মরতে চাই’স্বাস্থ্যের ড্রাইভার মালেক প্রসঙ্গে যা বললেন সচিবস্বাস্থ্যের গাড়ি চালক মালেক ১৪ দিনের রিমান্ডেস্বাস্থ্যের ড্রাইভারের ঢাকায় একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়িকাউন্সিলরের লোক পরিচয়ে কুভিক শিক্ষার্থীর উপর হামলাসাংবাদিকতার খ্যাতি ও বিড়ম্বনা- শাহাজাদা এমরানআমেরিকা-সুইডেনে থেকেও স্বপদে বহাল দুই শিক্ষক

ভৈরবে ছয় মণের বিশাল মাছ দেখতে মানুষের ভিড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বিরল প্রজাতির শাপলা পাতা মাছ ধরার পর কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একই প্রজাতির ছয় মণ ওজনের মাছ ধরেছেন এক জেলে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই উপজেলার মেঘনা নদী অংশ থেকে মাছটি ধরা হয়। পরে উপজেলার নৈশকালীন মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রির করতে নিয়ে আসেন জেলে গণি মিয়া। এতে মাছটিকে এক নজর দেখতে মানুষরা ভিড় করেন।

এরপর মাছটি কেনার একক সামর্থ না থাকায় ৫০০ টাকা কেজি ধরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন ওই জেলে। গণি ভৈরব শহরের জগন্নাথপুর দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা। তিনি ভৈরবের মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ শিকার করেন।

তিনি জানান, প্রতিদিনের ন্যায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতুর পাশে মেঘনা নদীর অংশে বড়শি ফেলেন। বিকেলে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে বড়শি টেনে নদীর পাড়ে তোলার চেষ্টা করেন। মাছটি যখন পানিতে ভাসমান হয়, তখন তিনিসহ সব জেলেরা ভড়কে যান। পরে পর্যবেক্ষণ শেষে বিরল প্রজাতির শাপলা পাতা মাছ হিসেবে তারা শনাক্ত করেন। এরপরই মাছটি ধরে পূষণ এন্টারপ্রাইজে নিয়ে ওজন করা হয়। মাছটির ওজন হয় প্রায় ছয় মণ।

মাছ ব্যবসায়ী পূষণ জানান, বিরল প্রজাতির মাছটি কিনতে একক ক্রেতা পাওয়া যায়নি। পরে ৫০০ টাকা কেজি ধরে মাছটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন গণি মিয়া। মাছটি এক লাখ টাকায় বিক্রি হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

ভৈরবের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহমান জানান, শাপলা পাতা বা স্টিংরে মাছ একটি সামুদ্রিক মাছ। তবে উপকূলীয় এলাকায় বসবাস করে এরা। ভৈরবের মেঘনার সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলের সম্পর্ক থাকায় মাছটি ধরা পড়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *