মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
কুভিক শিক্ষার্থীর উপর সন্ত্রাসী হামলার কলেজ প্রশাসনের নিন্দাকুমিল্লায় স্বস্তির বৃষ্টিতে দুর্ভোগ !নদী দিবসে গোমতীর পাড়ে বাপা নেতৃবৃন্দ দখলদার ও পরিবেশ দূষণকারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব নির্বাচনে জামি সভাপতি, বিজন সাধারণ সম্পাদককরোনায় নিয়মিত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন সনোলজিস্ট ডা. মল্লিকা বিশ্বাসএফডিএ- এর অনুমোদন পেল বেক্সিমকোর ৮ম ওষুধদুই পরিবারের ২০ জনকে অচেতন করে মালামাল লুটবান্ধবীর সন্তান অপহরণ করে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূদেশে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাসএসএইচসি কবে, জানা যাবে বৃহস্পতিবারএক বছর ধরে বানানো ড্রাইভার মালেকের ‘আদুরে’ দরজার দাম কত?আরো অনেক মালেক রয়েছে: স্বাস্থ্য সচিববরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্যের সেই ড্রাইভার আব্দুল মালেক‘ডিজি নয়, স্বাস্থ্যের ড্রাইভার হয়ে মরতে চাই’স্বাস্থ্যের ড্রাইভার মালেক প্রসঙ্গে যা বললেন সচিবস্বাস্থ্যের গাড়ি চালক মালেক ১৪ দিনের রিমান্ডেস্বাস্থ্যের ড্রাইভারের ঢাকায় একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়িকাউন্সিলরের লোক পরিচয়ে কুভিক শিক্ষার্থীর উপর হামলাসাংবাদিকতার খ্যাতি ও বিড়ম্বনা- শাহাজাদা এমরানআমেরিকা-সুইডেনে থেকেও স্বপদে বহাল দুই শিক্ষক

গ্রাহকের অসুস্থতার সুযোগে টাকা আত্মসাৎ করলেন দুই ব্যাংক কর্মকর্তা

ফেনী প্রতিনিধি : ফেনীর সোনাগাজীতে সোনালী ব্যাংক শাখার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত নারী গ্রাহক রৌশন আরা বেগম মঙ্গলবার দুদক চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে রৌশন আরা বেগম উল্লেখ করেন, সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার একজন নিয়মিত গ্রাহক তিনি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

এরপর তার মাসিক পেনশন, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাবদ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকার অ্যাডভাইসে গ্রহণ করেন। একই অ্যাডভাইসে আরো দুইজন নারী নমিতা রানী রায় ও লক্ষী রানী বসাকেরসহ তিনজনের মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৯২৪ টাকার হিসাব ছিল।

ওই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি (রৌশন আরা বেগম) ব্যাংকে গিয়ে যাবতীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ক্যাশ শাখার কর্মকর্তা বরুণ কুমারের কাছ থেকে টাকা উঠানোর জন্য কাগজপত্র জমা দেন। বরুণ কুমার টাকা দিতে একটু দেরি হবে বলে তাদেরকে অপেক্ষা করতে বলেন।

এর মধ্যে তিনি হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বরুন কুমারকে তার সোনালী ব্যাংক হিসাব নং- ৪০১৭১০০১৪১০৭৫-তে টাকাগুলো জমা দেয়ার জন্য বলে একটি সাদা কাগজে তার হিসাব নাম্বারটি লিখে দিয়ে বাসায় চলে যান। পরবর্তীতে তিনি আর খোঁজ নেননি।

রৌশন আরা বেগম জানান, গত ২২ জানুয়ারি তিনি ব্যাংকে টাকা উঠাতে গিয়ে  জানতে পারেন অ্যাকাউন্টে ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকা জমা হয়নি। তাৎক্ষণিক তিনি বিষয়টি শাখার ব্যবস্থাপক ফরহাদ উদ্দিনকে অবহিত করেন। তিনি কর্মকর্তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি সমাধান করবেন বলে তাকে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে তার ছেলে শাহ আজিজুর রহমানকে নিয়ে সোমবার ব্যাংকে গেলে তিনি (ব্যবস্থাপক) বিষয়টি সমাধান করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন।

ওই নারী দাবি করেন, ব্যাংকের ক্যাশ শাখার কর্মকর্তা বরুণ কুমার ও মনিরুল ইসলাম পরস্পর যোগসাজশে তার ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ করেছে।

এসব ব্যাপারে ব্যাংকের ওই দুই কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয় বলে কোনো কিছু বলতে রাজি হননি।

সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ব্যবস্থাপক ফরহাদ উদ্দিন জানান, তিনি যোগদানের আগে ঘটনাটি ঘটেছিল। তারপরও তিনি বিষয়টি জানার পর ওই দুই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারা টাকা আত্মসাৎ করেননি বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি তিনি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকেও জানাবেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *