সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং | ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
মেঘনায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে পড়ে মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুকুমিল্লায় মডেল ইউনিয়ন পরিষদে সনাকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতকুমিল্লায় দুই বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতারকুমিল্লায় বাংলা বানান শুদ্ধিকরণ অভিযানকুমিল্লার হোমনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যানববধূ অপহরণ চেষ্টার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল গ্রেফতারস্কুল ছাত্রকে মেরে বালু চাপা দেয়ার মামলায় দুই আসামি কারাগারেকুমিল্লায় ৩ দিন ব্যাপী বই মেলা শুরুঅপসংস্কৃতি বর্জন ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে ————এড.টুটুলচৌদ্দগ্রামে গৃহবধু হত্যা মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ১৩ট্রাক্টরের চাপায় কুমিল্লায় শিশু নিহতবিএনপি নেতা কর্নেল আজিমের বড় ভাইয়ের ইন্তেকালমুরাদনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নিষ্ক্রিয় বিএনপিহোমনার ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই!কুমিল্লায় ভাতিজার চাপাতির কোপে চাচার মৃত্যুকুমিল্লায় এক ছাত্রকে বালু চাপা হত্যার পর মুক্তিপন নিতে এসে অপহরণকারী আটককুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক আটকসরকারি হাসপাতালের ওষুধের অবৈধ গোডাউনে র‌্যাবের অভিযানসংসদ নির্বাচনের মতো সিটি নির্বাচনেও একই পরিবেশ থাকবে : সিইসিহোমনায় আপন দুই ভাইসহ সাত জনের কারাদন্ড

বুড়িচংয়ে প্রাইভেটকার ভর্তি ফেন্সিডিল উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দুই বছরেও আসামী ‘খুঁজে পায়নি’ পুলিশ, এক মাসেই গ্রেপ্তার করল পিবিআই

কুমিল্লা প্রতিনিধি।। ।।
২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারী কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকায় একটি প্রাইভেটকার থেকে ৭’শ ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে বিজিবির সদস্যরা। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই প্রাইভেটকার এবং ফেন্সিডিলগুলো জব্দ করেন বিজিবি। এ ঘটনায় বিজিবির সুবেদার ফরিম উদ্দিন প্রধান একই বছরের ২৭ জানুয়ারী বুড়িচং থানায় মাদকের একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে মামলাটি তদন্ত করেন বুড়িচং থানা পুলিশ। পরিবর্তন হয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও। কিন্তু এরপরও গ্রেপ্তার হয়নি ওই ঘটনায় জড়িত মাদক কারবারিরা।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১০ জুলাই ওই মামলায় আদালতে একটি ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করেন বুড়িচং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। তিনি ওই মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা, তাঁর আগে মামলাটি তদন্ত করেছেন একই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইফতার মিয়া। আদালতে দাখিল করা ফাইনাল রিপোর্টে এসআই আবুল কালাম আজাদ উল্লেখ করেন, তদন্তকালে ঘটনার সতত্যা পাওয়া গেলেও মামলার আসামী কিংবা স্বাক্ষীদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশের দেওয়া ওই ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহন না করে স্বপ্রনোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লাতে প্রেরণ করেন আদালত। আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের গত ১১ জানুয়ারী মামলাটি তদন্ত শুরু করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান।
পিবিআই সূত্র জানায়, মামলাটি তদন্ত শুরুর কিছু দিনের মধ্যেই পিবিআইয়ের সদস্যরা ওই মাদকের কারবারে ব্যবহৃত গাড়িটির সর্বশেষ মালিকের নাম-ঠিকানা জানতে স্বক্ষম হন। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও জানতে পারেন তাঁরা। পরে এসব প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাতে পিবিআই, কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান এবং পুলিশ পরিদর্শক মো.ইফতিয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি দল রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকা থেকে শীর্ষ মাদক কারবারী এবং ওই প্রাইভেটকারের মালিক মো.আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি আখতারুজ্জামান নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতালের বাগ এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। পরে গত শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান জানায়- সেদিন ফেন্সিডিল পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটির মালিক সে। আর ৭’শ ৮০ বোতল ফেন্সিডিলের মধ্যে ১’শ বোতল তার এবং বাকি ৬’শ ৮০ বোতলের মালিক বুড়িচংয়ের ফিরোজ নামের এক মাদক ব্যবসায়ী।
পুলিশ পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছি আখতারুজ্জামান একজন শীর্ষ মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে। কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে আসা ভারতীয় এসব ফেন্সিডিল কুমিল্লা থেকে কম মূল্যে কিনে ঢাকায় নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করতো বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে ওই মাদক কারবারি।
এদিকে, পুলিশের তদন্তে আসামী এবং স্বাক্ষীদের খুঁজে না পাওয়ার ব্যাপারে জানতে ওই মামলায় আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিলকারী তদন্ত কর্মকর্তা বুড়িচং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে শনিবার দুপুরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    9
    Shares
  • 9
    Shares



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *