সংবাদ শিরোনাম
বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
কুমিল্লায় নতুন করে ৪৫ জনের করোনা শনাক্ত: জেলায় বেড়ে দাঁড়াল ৫,৯৮৩বাড়ির সীমানা খুঁটি তুলে ফেলায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুনতিতাস উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরালকুমিল্লায় তেল চুরির অভিযোগে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা!নিমসারে বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন মাস্টারের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলপ্রতারণা করে প্রেম- তারপর বিয়ে, নববধূর আত্মহত্যা, স্বামী গ্রেফতারকুমেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ছয়জনের মৃত্যুকুমিল্লায় প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতিনভেম্বর থেকে স্বাভাবিক নিয়মে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরুমস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার, সংকটাপন্ন প্রণব মুখার্জিবার্মিংহামে প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুনএবার হচ্ছে না পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষাবুড়িচংয়ে উপজেলা যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলমের জানাযা সম্পন্নকুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের মগবাড়ী-মনোহরা চৌমুহনী হয়ে আমড়াতলী পশ্চিম বাজার দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ প্রায় ৬ কিলোমিটার রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহননারী গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণ মামলার আসামীকে চাঁদপুর থেকে গ্রেফতারব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদা-নাতির মৃত্যুকরোনায় কুমিল্লায় নতুন আক্রান্ত ৭১: জেলায় বেড়ে দাঁড়াল ৫,৯৩৮ জনকুমিল্লায় বিনার উদ্ভাবিত জাত সমুহের উপর কৃষি কর্মশালাব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড় হুজুরের জানাযায় মানুষের ঢলকুমেক হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু

কুমিল্লায় হলুদ চাষে স্বাবলম্বি হচ্ছে কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার।। বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে হলুদ গাছ। সারি সারি সবুজ পাতায় চোখ জুড়ানো দৃশ্য। আগাছা পরিস্কারে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী নোয়াপাড়া গ্রাম। হলুদের গ্রাম নামে পরিচিত। ওই এলাকার মাটি হলুদ চাষের উপযোগী। তাই ফলন ভালো। সফল হচ্ছেন কৃষকরা। বেশী মুনাফা হওয়ায় হলুদ চাষে ঝুকছেন সবাই।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর সদর দক্ষিণের লালমাই, নোয়াপাড়া, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া মিলিয়ে মোট ১শ ৯০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করা হয়েছে। তার মধ্যে ডিমলা, বারি ও স্থানীয় উন্নত জাতের হলুদ বেশী চাষ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, হলুদ রোপণ শেষে অন্তত আট মাস অপেক্ষা করতে হয়। এই আট মাসে ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা করলে ভালো ফলন হবে।
সরেজমিনে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ প্রান্তরজুড়ে হলুদ গাছ। খেতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কৃষক জহির জানান, গত কয়েক বছর ধরে নোয়াপাড়া এলাকায় হলুদ চাষে বেশী ঝুকছেন কৃষকরা। তার কারণ হলুদ চাষের জন্য নোয়াপাড়ার মাটি বেশ উপযোগী। হলুদের দাম ভালো। কম বিনিয়োগে বেশী মুনাফা লাভ করা যায়।
তিন বছর আগে নোয়াপাড়া এলাকায় প্রথম হলুদ চাষ শুরু করেন কবির হোসেন। তিনি প্রথমে ১২ শতক জমিতে হলুদ চাষ করেন। পরে কবির হোসেনের মাধ্যমে নোয়াপাড়া এলাকায় হলুদ চাষের প্রচলন শুরু হয়।
হলুদ চাষি কবির হোসেন জানান, তিনি এ বছর ৬২ শতক জমিতে হলুদ চাষ করেছেন। গত জৈষ্ঠ্য মাসে খেতে হলুদ চাষ করেছেন। আগামী মাঘ কিংবা পৌষ মাসে ফলন পাবেন। এই সময়টুকুতে সবমিলিয়ে তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হবে। ফলন ভালো হলে সব খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ৫০-৬০ হাজার টাকা মুনাফা হবে।
কবির হোসেন আরো জানান,আল্লাহর রহমতে হলুদ চাষ করে আজ আমি স্বাবলম্বি। তিনি বলেন,হলুদ চাষে অপেক্ষাকৃত খরচ কিছুটা কম আবার মুনাফা বেশী। তিনি হলুদ চাষে অন্য কৃষকদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন হলুদ চাষ বেশী করে পথিকৃত কুমিল্লাকে সারা দেশের কাছে নতুন করে পরিচিত করে তুলি।

নোয়াপাড়া এলাকার চাষী শাহ আলম জানান, হলুদ চাষের জন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতা পেলে হলুদ চাষে উদ্বুদ্ধ হতো স্থানীয় কৃষকরা। এতে করে জেলার হলুদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা যেত অন্যান্য জেলা সদরে।
বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিৎ চন্দ্র দত্ত জানান, কৃষি বিভাগ সব রকমের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। কোন কৃষক যদি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে ঋণ সহযোগিতা চায় তাহলে শতকরা ৪ ভাগ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। এছাড়াও কৃষকরা প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি যে কোন প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রস্তুত।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *