BREAKING NEWS
Search
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আমড়াতলীর পূজা মন্ডপে সমাজ সেবক জয়নালের আবেদীনের আর্থিক অনুদান প্রদানমহানবীকে অবমাননায় কুয়েতে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাকমুরাদনগর সদরের সড়কের জলাবদ্ধতায় মাছ শিকার!৭ বছরেও সন্ধান মেলেনি কুমিল্লার জাকিরেরসুয়াগাজি বাজারে অগ্নিকাÐে দশ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাইকুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কার শেষ হতে না হতেই পুনঃসংস্কার,যানজট দুর্ভোগশরণার্থীদের খোঁজে-৩৭ : মেরে ফেলার জন্য চোখ বাঁধে কিন্তু গুলি না থাকাতে বেঁচে যাই -সোনালী ভট্রাচার্যনোয়াখালীর সেই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি ধর্ষণ মামলাবৃষ্টি বিদায়ের পথে, শীত আসছেনুসরাত হত্যা : ফাঁসির রায় কার্যকর চান স্বজনরাআইপিএল নিয়ে জুয়া ঠেকাতে ফেনীতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ!মানব শরীরে নতুন অঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরাভারতকে ‘নোংরা’ বললেন ট্রাম্পমৃত করোনা রোগীর ফুসফুস দেখে বিস্মিত চিকিৎসকরাবাদ জোহর রফিকুল-উল হকের জানাজা, বিকালে দাফনরফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোকবাংলাদেশকে ১০০ ভেন্টিলেটর দিল যুক্তরাষ্ট্রব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেইমেঘনায় বিয়ারসহ কুস্তিগীর কালাই আটককুমিল্লায় কার্তিকের গুড়ি বৃষ্টি খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি চরমে

ছোট ভাইয়ের দাপটে বড় ভাইয়ের নেতাগিরি!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।। দলে কোনো পদ নেই, আন্দোলন-সংগ্রামেও নেই সক্রিয় অংশগ্রহণ। তবুও দল চলছে তারই ইশারায়। এ নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও কসবা উপজেলা বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব আবদুর রহমান সানির বড় ভাই কবির আহমেদ ভ‚ঁইয়ার হস্তক্ষেপ উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো মনে করছেন সবাই। বিষয়টি নিয়ে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন- সেটি নিয়ে দলে চলছে গ্রæপিং-লবিং। স¤প্রতি সেটি আরও প্রকট হয়েছে। বিশেষ করে দলীয় কর্মকাÐে কবিরের হস্তক্ষেপের কারণে দুই উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একপক্ষের নেতৃত্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান ও কেন্দ্রীয় কৃষক দল নেতা নাসির উদ্দিন হাজারী। আরেক পক্ষকে কবির আহমেদ ভ‚ঁইয়া ও আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুসলিম উদ্দিন নেতৃত্ব দিচ্ছেন।বিএনপির দলীয় স‚ত্রে জানা গেছে, গণ সংসদ নির্বাচনের আগ থেকে কবির তার ভাই সানির প্রভাব খাটাতে শুরু করেন। ওই নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন থেকে সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কৃষকদল নেতা নাসির উদ্দিন হাজারী ও আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুসলিম উদ্দিন মনোনয়ন পান। মুসলিম উদ্দিন মনোনয়ন পাওয়ার পেছনে মূল করিগর তারেক রহমানের একান্ত সচিব সানি বলে এলাকায় প্রচার করতে থাকেন কবিরের সমর্থকরা। যদিও নির্বাচন কমিশন থেকে মুসলিম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। মূলত সংসদ নির্বাচনের পরই লাইমলাইটে আসেন কবির। এরপর থেকেই বিভক্ত হয়ে পড়া দল পৃথকভাবে দলীয় কর্মস‚চি পালন করে আসছে। বিএনপির রাজনীতিতে কবিরের হস্তক্ষেপকে অযাচিত বলে আখ্যায়িত করেছেন দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। বিষয়টি নিয়ে ত্যাগী নেতাকর্মীরা লিখিত অভিযোগও করেছেন। অভিযোগে কবির তার ছোট ভাই সানির দাপট দেখিয়ে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন কমিটি করার কথাও উল্লেখ করা হয়। আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার মিয়া বলেন, গণ সংসদ নির্বাচনে নাসির উদ্দিন হাজারী, মুশফিকুর রহমান ও মুসলিম উদ্দিন প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে মুশফিকুর রহমান ও মুসলিম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। আর নাসির উদ্দিন হাজারীর মাঠে আসার কোনো পরিবেশ-পরিস্থিতি ছিল না। এরপর থেকেই আমাদের মধ্যে দুইটি গ্রæপ হয়ে যায়। একটি মুশফিক-হাজারী গ্রæপ, আরেকটি মুসলিম গ্রæপ। আমরা পৌর বিএনপি-উপজেলা বিএনপির সমস্ত নেতারা একসঙ্গে। মুসলিম উদ্দিন আলাদা বিভিন্ন প্রোগ্রাম করেন। এটার পেছনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কবির। তিনি আরও বলেন, কবির তার ভাইকে দিয়ে লন্ডন থেকে ফোন করায় বিভিন্ন কমিটি দেয়ার জন্য। তিনি কখনও বিএনপির রাজনীতি করেননি। তিনি ছাত্রলীগ করতেন। তার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আওয়ামী লীগের ইন্ধনেই কবির এখন আমাদের দলে গ্রæপিং সৃষ্টি করে দল ভাঙার চষ্টা করছেন। কসবা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রদল এবং যুবদলের সাবেক সভাপতি শরীফুল ইসলাম বলেন, যে কবিরে ব্যাগ টানে তাকেই পদ দিচ্ছে। তার ভয়ে সবাই অস্থির। অথচ বিএনপিতে তার কোনো পদ নেই। সে লিখে কসবা-আখাউড়া বিএনপির কাÐারি। দলের হাইকমান্ডকে আমরা একাধিকবার বিষয়গুলো জানিয়েছি। তবে কবির আহমেদ ভ‚ইয়া বলেন, আমার ভাইকে কেন টানা হচ্ছে? এসবের সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। আমার ভাই যেখানে আছে সেটা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জন্য গর্ব। আমি বিএনপির একজন সমর্থক। কাজ করার জন্য কোনো পদে থাকা জরুরি না। মনের মধ্যে দলের জন্য ভালোবাসা থাকা জরুরি। আর আমি কোনো কমিটি দেইনি। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা বলেন, দলে প্রতিযোগিণা থাকবে- এটাই বাস্তব। বিএনপি অনেক কঠিন ও ব্যতিক্রম। কে গ্রæপিং করছে, না করছে সেটি নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। আমরা গ্রæপিং বুঝি না, বিএনপি এখন এক আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *