রবিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সিদ্ধেশ্বরীতে হত্যার শিকার সেই ভার্সিটি ছাত্রী ‍পুলিশ কর্মকর্তার মেয়েফেসবুক থেকে মিথিলা-ফাহমির ছবি সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশশিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের খাবারে মিলল ইঁদুরপ্রতিনিয়ত ডাকাতি হচেছ ডাকাতিয়ার বালু # সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্বলাকসাম উপজেলা ও পৌরসভা এবং মনোহরঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণাসিডি প্যাথ এন্ড হসপিটালের আধুনিক অপারেশন থিয়েটার কমপ্লেক্সের উদ্বোধনঢাকায় ৮ তলার ওপর ভবন অনুমোদন না দেয়ার পরিকল্পনামাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমায় গাঁজা : গবেষণাজন্ম থেকেই ব্যাটম্যান!পাকিস্তানে মসজিদ থেকে লাখ টাকা দামের জুতা চুরি!ক্ষুধার জ্বালায় মাটি খেত শ্রীদেবীর ৬ সন্তান, এগিয়ে এল সরকারসুদানের ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩উষ্ণতম বছরের তালিকায় এক নম্বর ২০১৯চার্জে রেখে মোবাইল ব্যবহারের সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুশক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিলিবিশ্বের সবচেয়ে বড় রক্তাক্ত উৎসব নেপালের গাধিমাইভারত হিন্দু রাষ্ট্র!অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলজলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ৭ম বাংলাদেশবিয়ের আগে যৌন মিলন, বেত্রাঘাতে জ্ঞান হারালেন যুবক

অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ : রাজ্জাক

বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক জয়ের পর সব জায়গায়ই চলছে বাংলাদেশ বন্দনা। এবারের আসরে আইসিসির শুভেচ্ছাদূত টাইগার দলের এক সময়ের মাঠ কাঁপানো স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। উত্তরসূরীদের এমন জয়ে প্রশংসা করতে ভুলেননি তিনিও।

আইসিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের এই জয় নিয়ে বিস্তর এক কলাম লিখেছেন রাজ্জাক। যেখানে উঠে এসেছে ম্যাচ বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে অনেক কিছু। রাজ্জাকের সেই কলামটিই বাংলায় অনুবাদ করে দেয়া হলো জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-

আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বোলিংয়ে তিনি খুব ভালো ছন্দে আছেন আর ব্যাটিংয়ে তো একদমই দুর্দান্ত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে তিনি আবারও সেঞ্চুরি করেছেন। এটি এই টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, সঙ্গে আবার দুটি হাফসেঞ্চুরিও আছে।

আইসিসি র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার হওয়ার পাশাপাশি অসাধারণ ফর্মে আছেন তিনি। আসলে আমি কখনোই তাকে এভাবে খেলতে দেখিনি। যে ধারাবাহিকতা তিনি দেখাচ্ছেন, তা অবিশ্বাস্য। সাকিবের সঙ্গে আমি অনেক বছর ধরে খেলেছি। কিন্তু বর্তমানে তিনি তার ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুব ভালো একটা জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। কারণ তারা খুব ভালো একটা দল। এই বিশ্বকাপে খুবই ভালো ক্রিকেট খেলছে তারা। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ যদি তারা হেরে যেত কিংবা বৃষ্টি হত। তাহলে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য খুব একটা বড় সুযোগ থাকত না।

ইংল্যান্ডের মতো মাঠে দ্রুত শুরু করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বোলিং বা ব্যাটিং যেটাই হোক, শুরুটা ভালো করলে বেশির ভাগ দলই জয় পায়। এই বিশ্বকাপে এটাই আমরা দেখে আসছি।

ক্রিস গেইলকে দ্রুত আউট করে আমরা শুরুটা খুব ভালো করেছি এবং সেটা দরকারও ছিলো। যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩২১ রান করল। কিছু মানুষ আমায় বলছিল যে, ‘বাংলাদেশ হেরে যাবে এই ম্যাচে।’ কিন্তু আমি তাদের বলেছিলাম, অপেক্ষা করুন দেখুন কি হয়।

টনটনের মাঠটা আমি ভালোভাবেই চিনি। আমি এখানে খেলেছিও এবং উইকেট খুব একটা সিমিং ছিল না, তাই তাদের একটা সুযোগ ছিল। এই উইকেটটা ব্যাটসম্যানদের জন্য এবং টনটনে ৩২০ রান তাড়া করাটা খুব একটা সহজ নয়, আবার খুব একটা কঠিনও নয়।

ব্যাট হাতেও বাংলাদেশ খুব ভালো শুরু করেছে। এবং পরে সাকিব ও লিটন দাস ১৮৯ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়েছে। টুর্নামেন্টের মাঝপথে দলে এসে এমন ইনিংস খেলা সত্যিই খুব কঠিন। তাই লিটন খুব চাপের ভেতরে ছিল। বড় টুর্নামেন্টের বড় ম্যাচে এবং এমন কন্ডিশনে যখন একজন নতুন খেলোয়াড় খেলতে আসে, ব্যাপারটা সত্যিই খুব কঠিন। ওই মুহূর্তে অনেক চাপ ছিল এবং সে তা খুব সুন্দর ভাবেই সামলেছে। লিটন দেখিয়েছে একজন খেলোয়াড় হিসেবে সে কি করতে পারে এবং এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটে জন্য খুবই ভালো একটা দিক।

সাম্প্রতিক সময়ের রেকর্ড বিচার করলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগে থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল বাংলাদেশ। বর্তমানে তাদের বিপক্ষে খেলা শেষ ১০ টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ৮টিতেই জয়ে পেয়েছে টাইগাররা।

এর আগে আয়ারল্যান্ডে এবং ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আপনি যদি একটা দলকে বারবার হারানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন, তাহলে সেটা আসলেই দলের আত্মবিশ্বাসকে খুব বেশি বাড়িয়ে তোলে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩২২ রানের টার্গেট দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলোয়াড়রা মনে করছিল, তারা এই ম্যাচ জিততে যাচ্ছে। কারণ তারা জানতো, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এটা করতে পারবে।

স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের সেমিফাইনালের যাওয়ার সম্ভাবনাটা এখনো বেঁচে আছে। বাকি থাকা সব ম্যাচই এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটা ম্যাচ হারলেই সেমিফাইনালে যাওয়াটা কঠিন হয়ে যাবে তাদের জন্য।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো বৃহস্পতিবার ট্রেন্টব্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই জয়ের আত্মবিশ্বাসটা তাদের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ বিশ্বাস করবে যে তারা যে কোনো দলকে হারাতে পারে। কেননা বর্তমানে খুব ভালো ক্রিকেট খেলছে তারা।

বাংলাদেশ ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে এবং পরে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বড় টুর্নামেন্টে খুব ভালো করছে তারা। কিন্তু সত্যি বলতে আমি মনে করি ওই সময়ের থেকেও বর্তমানে খুব ভালো খেলছে তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *