কুসিক নির্বাচন : আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে তিন প্রার্থীর বাকযুদ্ধ অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

আমার পক্ষ থেকে কোন রকম আচরন বিধি লঙ্ঘন কার হয়নি – রিফাত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত বুধবার বেলা ১২ টায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফুনকা ব্রিকস এলাকা থেকে গনসংযোগ শুরু করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বিজয়ী হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকবো, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে দূর্নীতি মুক্ত করবো। আমি কুমিল্লার মানুষের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এক বছরের মধ্যে কুমিল্লার জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসন করবো।
তিনি আরো বলেন, আমার জানামতে আমার পক্ষ থেকে কোন রকম আচরন বিধি লঙ্ঘন করিনি, এরকম কোন অভিযোগ কেউ করতে পারবে না।
আমার প্রচন্ড বিশ^াস কুমিল্লার মানুষ জননেত্রীর প্রার্থীর পক্ষে রায় দিবে। আর সেই রায় নিয়ে ১৫ তারিখ সন্ধ্যায় আমরা বিজয় মিছিল করবো।

এমপি সদরের বাহিরে গিয়ে মিটিং করুক- সাক্কু
সাবেক মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু সকাল সাড়ে ১০ টায় ২ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাড়ি চৌমুহুনী এলাকা থেকে গন সংযোগ শুরু করেন।
তিনি গত ২/৩ দিন ধরে দেখা যাচ্ছে সদর আসনের সংসদ সদস্য ওনি বিভিন্ন সংস্থা, ইমাম, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক অভিভাবক, এনজিও, সমিতি, বাজার কমিটি সর্বপরি কমিটি জাতীয় যা আছে সব নিয়ে ওনি বৈঠক করতেছে। সাংবাদিকদের মোবাইল আটকে রেখেও তিনি বৈঠক করেছেন।
ওনি এগুলো সদরে করতে পারে না, সদরের বাহিরে গিয়ে করলে কোন আপত্তি নেই। এখানে করলে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন হয়।
তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে আমি নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। নির্বাচন কর্মকর্তা তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে। তারা তদন্ত করে রিপোর্ট দিলে বুঝা যাবে। ওনি (এমপি) একজন কর্নধার, ওনার নমিনি থাকবে তবে এভাবে প্রকাশ্যে কাজ করতে পারে না।
সাংসদ কে আচরন বিধির আওতায় আনা হউক- কায়সার
আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা নিজাম উদ্দিন কায়সার সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জজকোর্টে আইনজীবিদের সাথে মতবিনিয়ম করেন। পরে বাটপাড়া, ছোটরা ও বিষ্ণপুর এলাকায় প্রচারনা চালায়।
তিনি বলেন, আমি এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ দেখছি, আমি মনে করি এই পরিবেশটা ধরে রাখা গেলে কুমিল্লায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা যাবে। তবে আমি সঙ্কিত স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের আচরন বিধি লঙ্ঘন করছে।
আমার কাছে তথ্য আছে আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এনজিও কর্মীদের আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ডেকেছে। তাকে যদি আচরনবিধির আওতায় না আনা হয়, দিনদিন নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হবে। তাই আমি নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাবী জানাচ্ছি, অতি সত্তর এই সাংসদ কে আচরন বিধির আওতায় আনা হউক। এবং তাকে আচরন বিধি মেনে চলতে বাধ্য করা হউক।

শাহাজাদা এমরান
০১৭১১-৩৮৮৩০৮
৮/৬/২২