তিনি জানান, ইতোমধ্যে ৪০ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। জমি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বিসিক। এরপর ধাপে ধাপে যন্ত্রপাতি আমদানি ও অনুমোদনের কাজ শেষ করা হবে। পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে আড়াই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে।
নূরজাহান বেগম বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে আমরা প্রায় ৭০ শতাংশ ওষুধ সরবরাহ করতে পারছি। গুণগত মানের দিক থেকে এগুলো কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত ওষুধের চেয়ে কম নয়। তবে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, যা দ্রুত আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী হুমায়ুন রশিদ, সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
