গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়নে সামাজিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই

বার্ডে সেমিনারে বক্তাগণ-
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়নে কার্যক্রমে বার্ডের ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা : প্যানেল আলোচনা বিষয়ক সেমিনার গতকাল সোমবার সকালে বার্ড কুমিল্লার লালমাই অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। বার্ড কুমিল্লার মহাপরিচালক মো. হারুণ অর রশিদ মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বার্ড কুমিল্লার পল্লী সমাজতত্ব ও জনমিতির পরিচালক নাছিমা আক্তার।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক রঞ্জন কুমার গুহ এবং সেমিনারের পঠিত মূল প্রবন্ধের উপর বিষদ ব্যাখ্যা প্রদান করেন বার্ড কুমিল্লার পল্লী সমাজতত্ব ও জনমিতির যুগ্ম পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান।বক্তব্য রাখেন, বার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. আবদুল করিম।
মূল প্রবন্ধের উপর প্যানেল আলোচনা করেন , সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা পরিচালক ড. মো. মোকতার হোসেন(উপ সচিব),বিএমএ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আতাউর রহমান জসীম,জাগ্রত মানবিকতার প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক ডা. তাহসীন বাহার সূচনা, সমাজ সেবা অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান।
অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরানসহ বিভিন্ন পেশা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সেমিনারে বক্তাগণ বলেন, গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়নে সামাজিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। আমাদের গড় ্আয়ু বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এখন আমাদের বয়স্ক নাগরিকদের সংখ্যাও বাড়ছে। তাই বয়স্ক নাগরিকদের স্বাস্থ্য সচেনতাসহ অপরাপর সুযোগ সুবিধা গুলো নিশ্চিত করা এই সমাজেরই দায়িত্ব ও কর্তব্য। অপর দিকে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মদানের সাথে মা কিংবা বাবা দায়ী নয়। এজন্য কোন ভাবেই মা-বাবাকে কটাক্ষ করা যাবে না। বরং তাদেরকে সমাজের স্বাভাবিক শিশুদের সাথে বেড়ে উঠার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে।
গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়ন কার্যক্রমে বার্ড যে প্রকল্প গ্রহন করেছে তা বাস্তবায়িত হলে নি:সন্দেহে তা হবে গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য এক বিশাল উন্নয়নের মাইল ফলক। এ কাজে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।
বার্ড কুমিল্লার পল্লী সমাজতত্ব ও জনমিতির যুগ্ম পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান গ্রামীন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রকল্প হিসেবে দাঁড় করাতে কিভাবে গত ৫ থেকে ৬ মাস প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করেছেন তার তিনি বিশদ বিবরণ দিয়ে বলেন, প্রকল্পটি শেষ হলে নি:সন্দেহে আমাদের প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে একটি মাইলফলক স্পর্শ করবে ইনশাআল্লাহ।