চান্দিনায় ইউপি আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

চান্দিনা প্রতিনিধি ।। চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও ব্যবসায়ী মো. ঈমাম হোসেন ফরিদকে (৫০) কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা।

মঙ্গলবার (১০মে) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার পানিপাড়া এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে ওই ঘটনা ঘটে। আহত ফরিদ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়। এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় বলে জানা যায়।

আহত ব্যবসায়ীর ছোট ভাই ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল হালিম বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে তার ভাই বিদ্রোহী সেলিম চেয়ারম্যানের পক্ষে কাজ না করে নৌকার প্রার্থী হাজী জামালের পক্ষে কাজ করেন। এ নিয়ে সেলিম চেয়ারম্যানের সাথে তাদের পরিবারের বিরোধের জের ধরে তার ভাইকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার ভাই স্থানীয় নতুন বাংলা বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় জালাল, সজল, ফাহিম, আজগরসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী। তাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে ধারালো চাপাতি ও দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। এ সময় মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ মোবাইল ও টাকা পয়সা লুটে নেয় তারা। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাইঝখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন বলেন, ‘যারা গত ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী সেলিম চেয়ারম্যানের পক্ষে কাজ করেনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি তালিকা করে নৌকার পক্ষে কাজ করা দলীয় লোকদের উপর হামলা চালাচ্ছে। মূলত আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্যই ওই হামলা। হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মাইজখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম প্রধান বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। আমার নেতাকর্মীরা ওই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়। এলডিপি’র কর্মীরা ঘটনা ঘটিয়েছে। ফরিদ নিজেও এলডিপি করতো। এখন কাগজেপত্রে আওয়ামীলীগ।’

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, হামলার বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো লিখিত অভিযোগ পাই নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।