চৌদ্দগ্রামে আলো নিবিয়ে ককটেল ফাটিয়ে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট, আহত ৩

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি।।
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

মধ্যরাতে বিদ্যুৎতের লাইন কেটে ৪০-৫০ জনের একদল দুষ্কৃতকারী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ককটেল ফাটিয়ে দোকান পাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। হামলায় ৩ জন আহত হয়।শুক্রবার (০৪ জুলাই) দিবাগত রাত ২ টায় উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নর ভূমি অফিসে সামনে মনির ভেরাইটিজ স্টোরে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছে মৃত মনিরুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন (৪০) ও মৃত হাসমত আলীর ছেলে মোঃ খায়ের, কুমিল্লা সদর বাবুপুর এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে বাপ্পি হোসেন (৩৫)। এ ঘটনায় ১৪ জনকে আসামী করে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।শনিবার (০৫ জুলাই) বিকেলে হামলার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) গুলজার আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশিনগর ইউনিয়ন আইয়ুব আলী ভেন্ডার,আ’লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, একরাম হোসেন হোসেনের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০-৫০ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মনির ভেরাইটিজ স্টোরে হামলা করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা দোকানের বিদ্যুৎতের লাইন কেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দোকানটি কুপিয়ে তছনছ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। হামলার সময় দোকানে ঘুমিয়ে থাকা মনির হোসেন বাঁধা দিলে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে ককটেল ফাটিয়ে ভীতি ছড়িয়ে পালিয়ে যায়।
ব্যবসায়ী মনির হোসেনের ভাই মোহাম্মদ আলী জানান, মনির হোসেন জায়গার মালিক মিলন আক্তার থেকে দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিল। আইয়ুব আলী ভেন্ডার, আ’লীগ নেতা আনোয়ারের নেতৃত্বে দোকান ঘরটি ভাংচুর ও লুটপাট করে। তাদের হামলায় আহত আমার ভাই ও চাচা বর্তমানে কুমিল্লায় চিকিৎসাধীন।জায়গায় মালিকের ছেলে তাজুল ইসলাম বলেন, জায়গাটি আমার আম্মার নামে খারিজ করা। বিগত আওয়ামী শাসনামলে তাদের দলীয় প্রভাবে আমাদেরকে জায়গায় আসতে পারিনি। জুলাই বিপ্লবের পর তারা পালিয়ে গেলে আমরা আমাদের জায়গায় দোকানঘর নির্মাণ করি। তারা আবার ফিরে এসে শুক্রবার রাতে দোকানের বিদ্যুত ও সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করে।চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই মোর্শেদ আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।
চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) গুলজার আলম জানান মধ্যরাতে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে দোকানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।